নাতির দায়ের কোপে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক
অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদ (২৩)
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৮:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির ধারালো পাট কাটার দায়ের কোপে দাদি ফেরোজা বেগম (৫৫) নিহত হয়েছেন। এ সময় স্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী আব্দুল করিম ভেটু (৭০)।
বুধবার দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ফেরোজা বেগম আব্দুল করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী।
এ ঘটনায় আব্দুল করিমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাতি শাকিল আহম্মেদকে (২৩) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী।
গ্রেপ্তার শাকিল আহম্মেদ একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং আব্দুল করিমের নাতি।
স্থানীয়রা জানায়, আজ দুপুরে বাড়ির পাশের একটি জমিতে পাট কাটার সময় পারিবারিক বিরোধের জেরে শাকিল আহম্মেদের সঙ্গে দাদি ফেরোজা বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাকিল তার হাতে থাকা ধারালো পাট কাটার দা দিয়ে ফেরোজা বেগমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে আব্দুল করিমকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ফেরোজা বেগমের মৃত্যু হয়। আহত আব্দুল করিম বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় এখনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- বিষয় :
- গাইবান্ধা
- সাঘাটা
- কুপিয়ে হত্যা
