পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৩ | ১৮:০০
যে কোনো মুহূর্তে ভবনটি ধসে পরে ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সেখানে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া বৃষ্টির পানি পড়ে ভবনের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সত্তরের দশকে নির্মিত রনগোপালদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি দীর্ঘ বছর জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের ছাদের পলেস্তারা ধসে মরচে ধরা রড বের হয়ে আছে। একটু বৃষ্টিতেই পানিতে ভেসে যায় ভবনের মেঝে। ভবনের দরজা-জানালা ভেঙে পড়ে রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ১৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রনগোপালদী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। কেন্দ্রে কর্মরত উপসহকারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ আহমেদ বলেন, অন্য জায়গা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন দুই শতাধিক মানুষ ওই কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসেন। তাঁরাও ঝুঁকিতে থাকেন।
কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা লাইজু বেগম বলেন, একাধিকবার ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পরে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এখানে ডেলিভারি করার সব সরঞ্জাম থাকার পরও ভয়ে কোনো ডেলিভারি রোগী আসেন না।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইলিয়াস রানা বলেন, রনগোপালদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই, তাই পরিত্যক্ত ভবনেই কার্যক্রম চলছে।
