স্ত্রীর দাবি নিয়ে কনস্টেবলের বাড়িতে কলেজছাত্রী
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২০ | ০১:১৮ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
১০ বছর ধরে প্রেম, অতপর বিয়ে। বিয়ের ১০ মাস পর স্ত্রীকে অস্বীকার করছে এক পুলিশ কনস্টেবল। কোন উপায় না পেয়ে গত তিনদিন ধরে স্ত্রীর দাবি নিয়ে ওই পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান করছে এক কলেজছাত্রী।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামের আব্দুর রব ফকিরের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন জুয়েলের সঙ্গে একই গ্রামের এক কলেজছাত্রীর দীর্ঘ ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এই প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ১০ মাস আগে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর গত ১০ মাস ধরে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঢাকায় বসবাস করছেন বলে জানান ওই কলেজছাত্রী।
সম্প্রতি পুলিশ কনস্টেবল জুয়েল এই বিয়ে অস্বীকার করেন। এরপর কোনো উপায় না পেয়ে ওই কলেজছাত্রী জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে উঠেন।
ওই কলেজছাত্রী বলেন, স্কুল জীবন থেকেই আমাদের প্রেমের সম্পর্ক। গত জুলাই মাসে আমরা ঢাকার জজকোর্টে গিয়ে বিয়ে করি। বিয়ের পর আমরা দুজনে ঢাকায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকি। বর্তমানে জুয়েল আমাকে অস্বীকার করছে। আমি জুয়েলকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছি। সে কোনভাবেই আমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হচ্ছে না। ও যদি আমাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেয় তা হলে আমি এই বাড়িতে আত্মহত্যা করবো। জুয়েল বর্তমানে ঢাকার আশুলিয়া থানায় কর্মরত আছেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য জুয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ট করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
জুয়েলের বড় ভাই নাজমুল হাসান বাবু বলেন, বিয়ের বিষয়টি আমরা শুনেছি। এখন যদি সে তার স্ত্রীকে না রাখে তবে সেটা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়।
আশুলিয়া থানার ওসি শেখ দিপু বলেন, সাজ্জাদ হোসেন জুয়েল নামে কোন কনস্টেবল আমার থানায় নাই।
কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান বলেন, ওই কলেজ ছাত্রীর পক্ষ থেকে যদি আমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয় তাহলে তাকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
