ডিমলায় প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে রোগী আছে, ডাক্তার নেই
চিকিৎসকশূন্য প্রাইভেট চেম্বার
ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২০ | ০২:২৪ | আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২০ | ০৪:৩১
নীলফামারীর ডিমলায় প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে ডাক্তাররা জমজমাট ব্যবসা করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে চেম্বারগুলোতে ডাক্তার উপস্থিতি শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। চিকিৎসা নিতে রোগী আসলেও চেম্বারে দেখা মিলছে না ডাক্তারদের।
উপজেলার মেডিকেল মোড়ে রং-বেরংয়ের সাইনবোর্ড টানিয়ে বিভিন্ন প্যাথলজি, ডায়াগনেস্টিক সেন্টার ও ওষুধের দোকানগুলোতে ডাক্তারেরা প্রতিযোগিতামূলক জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।
মেডিকেল মোড়ের হেলথ্ কেয়ার ডায়াগনন্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখেন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত) ডা. দীন মোহাম্মদ। আলম ফার্মেসিতে প্রায় ১৫ বছর ধরে রোগী দেখেন ডিমলা হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত ডা. মো. শমসের আলী মিয়া, রহমান প্রেসক্রিপশন সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখেন নীলফামারী সরকারি হাসপাতালের ডা. রাশেদুল ইসলাম ও ডা. আব্দুর রহিম মিন্টু। মনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. মহসিন আলী।
বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ১৫ মার্চ থেকে এসব ডাক্তারদের কাছে চিকিৎসা নিতে রোগী আসলেও তাদের দেখা মিলছে না। ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, তারা চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাদের আর পাচ্ছেন না।
রোগীর স্বজনরা এসব সুবিধাভোগি ডাক্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
ডিমলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সারোয়ার আলম বলেন, প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে এ সময় ডাক্তার না থাকার বিষয়টি দুঃখজনক। তবে আমাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের লিখিত কোনো চিঠি না আসায় অভিযুক্ত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না। ।
তিনি বলেন, ডিমলা হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার, ডেন্টাল সার্জনসহ মোট ১৩ জন কর্মরত রয়েছেন। তারা হাসপাতালে আসা রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন।
