ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা এনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদাবাজি

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা এনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদাবাজি
×

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২০ | ০৬:৫১ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা এনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জনপ্রতি একশ’ থেকে দেড়শ’ টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে মোংলা বন্দর নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নির্মাণ শ্রমিকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মোংলা থানার ওসির কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। পরে ইউএনও ও ওসি নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের ডেকে শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা বাবদ নেওয়া টাকা ফিরিয়ে দেওয়া নির্দেশ দিয়েছেন। তবে অনেক শ্রমিকই এখন পর্যন্ত তাদের দেওয়া টাকা ফেরত পাননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোংলা বন্দরে কর্মরত ৭ শতাধিক নির্মাণ (রাজমিস্ত্রী) শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন মোংলা বন্দর নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এখানকার নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ অনেক কমে গিয়ে অনেকটা বেকার হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক শাজাহান ফকির প্রত্যেক শ্রমিককে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা এনে দেওয়ার কথা বলে খরচ বাবদ জনপ্রতি ১শ থেকে দেড়শ’ টাকা করে চাঁদা তোলেন। সে সঙ্গে নেয়া হয় শ্রমিকদের সদস্য ও ভোটার আইডি কার্ডের কপিসহ বিকাশ করা মোবাইল নাম্বার। 

গত কয়েকদিন ধরে এভাবে চাঁদা আদায় চললে এক পর্যায়ে কিছু শ্রমিকের মধ্যে এ নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। পরে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত মান্নান ও থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধূরীকে অভিযোগ দেওয়াসহ বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলেন। পরে ইউএনও ও ওসি মোংলা বন্দর নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দুলাল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক শাজাহান ফকিরকে ডেকে নিরীহ শ্রমিকদের কাছ থেকে নেয়া টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে মোংলা বন্দর নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দুলাল তালুকদার বলেন, চাঁদা আদায়ের বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক জানেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। সা

ধারণ সম্পাদক শাজাহান ফকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ত্রাণ আনার খরচ বাবদ কোন চাঁদা নেওয়া হয়নি। সাংগঠনিক মাসিক চাঁদা হিসেবে মাত্র ৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী সে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ সবই প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র।

আরও পড়ুন

×