লকডাউন উপেক্ষা করে দুর্গাপুরে ষাঁড়ের লড়াই
খোলা মাঠে আয়োজিত ষাঁড়ের লড়াই দেখতে ভিড় করে বিপুলসংখ্যক মানুষ -সমকাল
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২০ | ০৯:০২ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে লকডাউন উপেক্ষা করে এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে ষাঁড়ের লড়াই আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ডেংবাড়ির সামনে এ লড়াই হয়। পরে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে সন্ধ্যায় আটক করেছে পুলিশ।
সারাদেশের মতো করোনা সংক্রমণের কারণে নেত্রকোনা জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে সরকারি বিধি নিষেধ মেনে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান খোলা থাকার কথা। কিন্তু আইনশৃঙ্খলাকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে ষাঁড়ের লড়াই হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, জেলার দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউপির শ্রীপুর গ্রামের ডেংবাড়ির খোলা জায়গায় মঙ্গলবার সকালে ষাঁড়ের লড়াই শুরু হয়। এ সময় শ্রীপুর গ্রামের সুজন মিয়া ও মুন্সিপাড়া গ্রামের আবদুল মালেকের দুটি ষাঁড়ের লড়াই বাঁধে। এগারটার দিকে একই স্থানে পাশের গ্রামের শহীদ মিয়া ও আনোয়ার হোসেনের দুটি ষাঁড়ের লড়াই হয়। লড়াই চলাকালে খোলা মাঠটি উৎসুক জনতায় কানায় কানায় ভরে যায়। ওই ষাঁড়ের লড়াইয়ের নেতৃত্বে ছিলেন ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা মিলন ও তারই সহোদর সুজন। হাজারো জনতা দলবদ্ধ হয়ে লড়াই উপভোগ করেন। একই স্থানে পাঁচদিন আগেও ষাঁড়ের লড়াই হয়েছিলো। বিষয়টি স্থানীয় সচেতন মহল প্রতিবাদ করে। তবে ওই নিষেধ মানেননি ইউপি সদস্য ও তার সহযোগিরা।
দুর্গাপুর থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ষাঁড়ের লড়াই আয়োজনের বিষয়টি জানা ছিল না। জানতে পেরে আয়োজক স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। লকডাউন ভেঙে যারা এ ষাঁড়ের লড়াই আয়োজন করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
