ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জে ৭ গ্রামের বাসিন্দাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

হবিগঞ্জে ৭ গ্রামের বাসিন্দাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
×

হবিগঞ্জের বাহুবলে সংঘর্ষের চিত্র। ছবি: সমকাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৪ | ১৭:২১ | আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৪ | ২২:২৪

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারে পাওনা টাকা নিয়ে সাতটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার মিরপুর বাজারে টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে একই উপজেলার লামাতাসি গ্রামের আলফু মিয়ার সঙ্গে বানিয়াগাঁও গ্রামের জহুরুল মিয়ার কথা কাটা-কাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টিকে কেন্দ্র তাদের দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে বানিয়াগাঁও ও লামাতাসি গ্রামের মানুষ। দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোটা নিয়ে দুই গ্রামবাসী মিরপুর পয়েন্টে অবস্থান নেন এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে মাইকে ঘোষণা দেয়া হলে বানিয়াগাঁও গ্রামবাসীর সঙ্গে পশ্চিম জয়পুর ও লামাতাসির সাথে পার্শ্ববর্তী আরও গ্রাম যোগ দেয়। সংঘর্ষ চলে রাত ১২টা পর্যন্ত।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফের উভয় পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় মিরপুর বাজার এলাকায় বন্ধ থাকে সকল দোকানপাট। সড়কের উভয় পাশে আটকা পড়ে বহু যানবাহন। এ সময় সংঘর্ষে মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ, সাদ্দাম হোসেন (৩০), জহুরুল (৩২), হাবিব মিয়া (৩০), আশিক মিয়া (২৯), রাসেল মিয়া (৩৫), উস্তার মিয়া (৩২), আলমগীর মিয়াসহ (৩০) শতাধিক লোকজন আহত হয়।

খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কয়েক দফায় তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন

×