ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

জলাশয়ে বিষ, চার দিন ধরে ভাসছে মরা মাছ

জলাশয়ে বিষ, চার দিন ধরে ভাসছে মরা মাছ
×

ভেসে ওঠা মাছ সংগ্রহ করছেন জেলেরা। বৃহস্পতিবার ফরিদপুরের মোজাফফর মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের মোহনের কোলে সমকাল

ফরিদপুর অফিস

প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ | ০০:৩৪

ফরিদপুরের একটি জলাশয়ে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নে মোহনের কোল নামে জলাশয়ে এ ঘটনা ঘটে। চার দিন ধরে সেখানে মাছ মরে ভেসে উঠছে।  
প্রায় আট একর জমিতে অবস্থিত মোহনের কোলটি পড়েছে ইউনিয়নের মোজাফফর মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামে। পদ্মা নদীতীরের এই কোলে প্রতি বর্ষায় দেশি নানা প্রজাতির মাছ আসে। কোলটি গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তির মালিকানাধীন। এর মধ্যে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় সাড়ে ৩ একর জমি ভাড়া নেন পৌরসভার ভাটিলক্ষ্মীপুরের বিষ্ণু চন্দ্র মালো, কামরুল হাসান করিম ও জামাল মীর। পাঁচ বছরের জন্য মালিকদের সঙ্গে চুক্তিও করেন তারা। 
বৃহস্পতিবার দুপুরে দেখা যায়, কোলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে আছে। জেলেরা এসব ধরে এক জায়গায় জড়ো করছেন।
বিষ্ণু চন্দ্র মালোর ভাষ্য, সাত-আট মাস আগে ওই কোলটি ভাড়া নেন। সেখানে থেকে মাছ ধরে বিক্রি করে আসছেন। আগের ভাড়াটিয়া স্থানীয় বাসিন্দা বাদল শেখ (৪০) কোলটি ভাড়া নিতে না পারায় তাঁর সঙ্গে কয়েকবার তর্কাতর্কিতেও জড়িয়েছেন। বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে বলেছেন, শহর থেকে এসে মাছ কীভাবে নেন সেটা দেখে নেবেন। এ জন্য বাদলকেই বিষ দেওয়ার জন্য দায়ী করেন বিষ্ণু। তাঁর ভাষ্য, আগেও বাদল এখানে বিষ ঢেলেছিলেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তাঁর প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। 
বিষ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন বাদল শেখ। তিনি বলেন, ‘ওই কোলে আমারও একটি অংশ রয়েছে। বিষ দিলে তো আমার মাছও মরবে। আমিও খুঁজতেছি কারা বিষ দিয়েছে।’ যদিও তিনি আগে একবার বিষ দিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন। 
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন

×