ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দুই দিনের ব্যবধানে সাগরে দুই ট্রলারে দস্যুদের হামলা

দুই দিনের ব্যবধানে সাগরে দুই ট্রলারে দস্যুদের হামলা
×

.

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৩৯

দুই দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে দুটি মাছ ধরার ট্রলারে হামলা চালিয়েছে জলদস্যুরা। এর মধ্যে পালানোর সময় একটি ট্রলার ডুবিয়ে দেয় দস্যুরা। রোববার বিকেলে হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপের দক্ষিণে এমভি আবুল কালাম নামে ট্রলারে এ হামলা হয়। গতকাল সোমবার ওই ট্রলারের ১৮ জেলেকে অন্য জেলেরা উদ্ধার করেন। 
এর আগে শুক্রবার রাতে একই দ্বীপের দক্ষিণে জামসেদ মাঝির ট্রলারটি জলদস্যুদের হামলার শিকার হয়। সেখান থেকে তারা নিশান উদ্দিন (২২) নামে এক জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। এ সময় দস্যুরা ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ট্রলারটি বিকল করে দেয়। রোববার রাতে হাতিয়ার জাহাজমারা ঘাটে ফেরেন।

এমভি আবুল কালামের জেলেদের উদ্ধার করে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চর ঈশ্বর বাংলাবাজার ঘাটে আনা হয়। তারা জানান, শনিবার বিকেলে ওই ট্রলারটি নিয়ে বঙ্গোপসাগরে যান। রোববার বিকেলে হঠাৎ তাদের ধাওয়া করে জলদস্যুরা। তারা পালানোর চেষ্টা করলেও জলদস্যুরা দ্রুত গতিতে এসে পেছন থেকে তাদের ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সেটি উল্টে যায়। জলদস্যুরা চলে গেলে জেলেরা ট্রলারের ভেসে থাকা অংশ ধরে প্রাণে বাঁচেন। 

ওই ট্রলারের মালিক কালু মাঝির ভাষ্য, তারা সবাই ২৪ ঘণ্টার মতো সাগরে ভেসে ছিলেন। সোমবার বিকেলে অন্য উপজেলার দুটি ট্রলারে থাকা জেলেরা তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় তীরে নিয়ে আসেন। চোখের সামনে কোটি টাকার সম্পদ সাগরে ফেলে আসতে হয়েছে তাঁকে। 

শুক্রবার রাতে দস্যুতার শিকার ট্রলারের মাঝি জামসেদ উদ্দিন বলেন, হামলাকারীদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। হামলায় চার-পাঁচজন আহত হন। যাওয়ার সময় দস্যুরা নিশানকে ধরে নিয়ে যায়। ইঞ্জিনও নষ্ট করে দেয়। অনেক কষ্টের পর বিকল ইঞ্জিন মেরামত করে ঘাটে ফেরেন। 
হাতিয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ আশিকুর রহমান ও জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোরশেদ আলম দুটি ঘটনার কথা শুনেছেন। তাদের ভাষ্য, নিঝুমদ্বীপ থেকে ঘটনাস্থল অনেক দূরে হওয়ায় তাদের কিছুই করার ছিল না। 

আরও পড়ুন

×