চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন
এবার পাকিস্তানের নাঙ্গা পর্বত ছুঁতে চান বাবর আলী
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৫ | ২৩:৪৪ | আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:৩৭
এবার পাকিস্তানের আট হাজার মিটার উচ্চতার নাঙ্গা পর্বতে আরোহণ করতে চান বাবর আলী। মানাসলু জয়ের পর দেশে ফিরে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন এভারেস্টজয়ী। তার সঙ্গে ছিলেন মানাসলু অভিযানের সঙ্গী তানভীর আহমেদ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অভিযানের অন্যতম স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ‘সামুদা’র চিফ বিজনেস অফিসার বিকাশ কান্তি দাস এবং ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা আশরাফুল আরেফীন আসিফ। গত ২৬ অক্টোবর ভোরে বাবর ও তানভীর নেপালের মানাসলু পর্বতে আরোহণ করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে বাবর আলী বলেন, ‘এ বছরে দুইটা আট হাজারি পর্বত হয়ে গেছে। সামনে পরিকল্পনা হচ্ছে- ধীরে ধীরে বাকি যে ১০টা আট হাজার মিটার বাকি রয়ে গেছে। আই লাইক টু মুভ টু পাকিস্তান। সেখানে পাঁচটা আট হাজার মিটার পর্বত আছে। এর মধ্যে আমার স্বপ্নের একটা হলো নাঙ্গা পর্বত। সামনে আমি নাঙ্গা পর্বতের দিকে যেতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘সামনে আরও কয়েকটা কঠিন পর্বত আছে। এভারেস্ট সবচেয়ে উঁচু। কিন্তু এটা সব থেকে কঠিন নয়। যেমন আদা দাবলাম এভারেস্টের চেয়ে অনেক কঠিন। এরকম একটি পর্বত আরোহণ করা মানে পরেরগুলোর জন্যও প্রস্তুতি।’
মানাসলু অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানাসলুতে একটা সুবিধা হয়েছে, আমাকে অক্সিজেন সিলিন্ডার বহন করতে হয়নি। ৪-৫ লিটারের অক্সিজেন সিলিন্ডারটা অতিরিক্ত বহন করতে হচ্ছে না, এটা একটা সুবিধা। কিন্তু প্রত্যেকটা স্টেপ মেকস ইউ ব্রেথলেস। বাতাসের জন্য হাহাকার। সেটা ফিল করেছি।’
কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া মানাসলু আরোহণের কারণ সম্পর্কে বাবর বলেন, সব সময় দেখে এসেছি পশ্চিমারা সচরাচর এসব পাগলামিগুলো করে থাকে। বাঙালি ঘরকুণো ছিল বলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটা ট্যাগ লাগানো থাকে। যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং ওই মানসিক শক্তি থাকলে এটা সম্ভব। পরের জেনারেশন বা পরের পর্বতারোহীরা আশা করি এই ব্যাপারটা এগিয়ে নিবে। ইতিবাচক মানসিকতার সঙ্গে আমাকে সহযোগিতা করেছে নিয়মানুবর্তিতা।
আরেক মানাসলু আরোহণকারী তানভীর আহমেদ বলেন, সবচেয়ে কঠিন হলো উচ্চতা। একটা নির্দিষ্ট উচ্চতার উপরে বিষয়টা ভিন্ন। সেখানকার তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়া এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা।
