বিশ্বনাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া লুনা ও হুমায়ুনের সমর্থকদের
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ০৭:৪৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বিএনপির দুই মনোনয়নপ্রত্যাশী তাহসিনা রুশদীর লুনা ও হুমায়ুন কবিরের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্বনাথ থানার সামনে এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হন।
নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বর্তমানে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। অন্যদিকে, হুমায়ুন কবির দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্বনাথের দৌলতপুর গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা আব্বাস আলীর বাড়িতে হুমায়ুন কবিরের নির্বাচনী সমাবেশ ছিল। অন্যদিকে লুনা সমর্থকরা তাঁর মনোনয়নের দাবিতে বিকেলে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। রাত ৯টার দিকে সমাবেশ শেষে দৌলতপুর থেকে ফেরার পথে বিশ্বনাথ থানার সামনে হুমায়ুন সমর্থকরা মিছিল বের করেন। এক পর্যায়ে সেখানে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ওসমানীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পৌর শহরে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ
শিশু-কিশোরদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দু’দফা সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে এবং গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে বড়বাড়ি ও মুন্সিবাড়ির লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল মিয়া বলেন, মীমাংসার উভয় পক্ষের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মো. মোস্তুফা রেজা বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।
মসজিদের চাবি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩০
ফরিদপুরের সালথায় মসজিদের চাবি না দেওয়ায় বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাহিরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। আহত ১০ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও বোয়ালমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে গ্রামের লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্যার সঙ্গে মৌলভী হেমায়েত হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে লুৎফর রহমান ও ইমরানের সমর্থক নজরুলের কাছে থাকা স্থানীয় মসজিদের দরজার চাবি চান হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা। তিনি চাবি না দিলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
রাতে পুলিশ, বাহিরদিয়া মাদ্রাসার আলেমা-ওলামা ও বিএনপি নেতারা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে পরদিন সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। সালথা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
(প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা)
- বিষয় :
- ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
