ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

খাল দখলে জলাবদ্ধতা দুর্ভোগে ৩০ পরিবার

খাল দখলে জলাবদ্ধতা দুর্ভোগে ৩০ পরিবার
×

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় খাল ভরাট করে নির্মিত হয়েছে স্থাপনা। ফলে টানা বর্ষণে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। সম্প্রতি উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের জয়রামপুরের শাহপাড়ায় -সমকাল

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ | ০৭:৪৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাত ও খাল ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় প্রায় ৩০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ দিলেও দুর্ভোগের প্রতিকার মেলেনি।  

ভুক্তভোগীরা জানান, জিয়াউর রহমানের আমলে দামুড়হুদা-জীবননগর আঞ্চলিক মহাসড়কের কোল ঘেঁষে একটি খাল খনন করা হয়। তখন থেকে খালটি স্থানীয়ভাবে ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘদিন ধরে খাল ভরাট করে দোকান, অফিসঘর, ইটভাটা, গাড়ির গ্যারেজসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করায় খালের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। চলতি বছর অতিবৃষ্টিতে জয়রামপুর গ্রামের শাহপাড়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে এলাকার বাসিন্দারা পানি-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে চর্মরোগ বেড়ে যাওয়াসহ নানা ধরনের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে তাদের। 
হাবিবুর রহমান, সাহাদৎ হোসেন, চায়না খাতুন, কোহিনুর বেগমসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে কয়েক মাস আগে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলে তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দেন। কিন্তু এখনও জলাবদ্ধতা দূর না হওয়ায় তাদের ভোগান্তি শেষ হয়নি। 

এ বিষয়ে হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, ইউএনওর নির্দেশে ভুক্তভোগী ও খাল দখলদার পক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীদের দাবি পুরো খালটি খননের ব্যবস্থা করা, যা অল্প সময়ে করা অসম্ভব। এটা সুপরিকল্পিত এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা। প্রাথমিকভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইউএনওর সঙ্গে তিনি পরামর্শ করেছেন। 

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপ করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালের পানি নিষ্কাশনের মুখ বন্ধ করার বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
 

আরও পড়ুন

×