ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সড়কে লবণ ফেলে ন্যায্যমূল্য দাবি

সড়কে লবণ ফেলে ন্যায্যমূল্য দাবি
×

প্রান্তিক চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় লবণ আমদানির অনুমতি না দেওয়ার দাবিতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় লোকজন। এ সময় সড়কে লবণ ফেলে দেন এক চাষি। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে -সমকাল

মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ | ০৮:১৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে প্রান্তিক লবণ চাষিদের স্বার্থ রক্ষা ও লবণ শিল্পকে বাঁচাতে লবণ আমদানির অনুমতি না দেওয়ার দাবিতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহেশখালী লবণ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদ উপজেলা পরিষদের সামনে এর আয়োজন করে। সেখানে সড়কে লবণ ফেলে প্রতিবাদ জানান চাষিরা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। 

চাষিরা বলেন, দেশের জনসংখ্যা অনুপাতে বার্ষিক লবণের চাহিদা ২৬ দশমিক ১০ লাখ টন। চলতি বছর কক্সবাজার জেলা তথা মহেশখালী উপজেলায় লবণ উৎপাদন হয়েছে ৩১ লাখ টন, যা দেশের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। তার পরও কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অবৈধভাবে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি ও বাজারজাত অব্যাহত রেখেছে। 

লবণ চাষি ও লবণ ব্যবসায়ী নুরুল কবির জানান, দেশীয় লবণ শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণের নাম দিয়ে সরকারের মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি সিন্ডিকেট লবণ আমদানি করার পাঁয়তারা করছে,  যা লবণ শিল্পকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। প্রান্তিক চাষিদের স্বার্থ রক্ষার্থে তিনি আমদানির অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানান।  

মহেশখালী লবণ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বলেন, বাজারে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দামে। অন্যদিকে চাষিদের কাছ থেকে উৎপাদিত লবণ কেনা হচ্ছে  প্রতি কেজি পাঁচ টাকা দামে। এ পরিস্থিতিতে দেশে লবণ চাষিদের দুঃখ-দুদর্শার শেষ নেই। দেশের অধিকাংশ লবণ চাষি মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মহেশখালী লবণ উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ী সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব আতাউর রহমান, হোয়ানক ইউপির সাবেক মেম্বার নুরুল কবির, এখলাচুর রহমান, শাহাব উদ্দিন, আশেকুর রহমান কোম্পানি, আইয়াতুল্লাহ সিকদার প্রমুখ। 
 

আরও পড়ুন

×