ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর

বিপজ্জনক ১৯টি পণ্যের কনটেইনার ধ্বংস করা হয়েছে

বিপজ্জনক ১৯টি পণ্যের কনটেইনার ধ্বংস করা হয়েছে
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৫ | ০৮:১৮ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:৫৫

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা নিলামে অযোগ্য ১৯টি বিপজ্জনক পণ্যের কনটেইনার পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংস করা হয়েছে। গত শনি ও রোববার টানা দুই দিনে এই কাজ সম্পন্ন করা হয়। এতে সহায়তা করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার ও পুলিশ সদস্যরা। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১৬ কনটেইনার আনকোটেড ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, এক কনটেইনার করে অরেঞ্জ ইমালশন, সুইট হুয়ে পাউডার এবং স্কিমড মিল্ক পাউডার। এসব পণ্য দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল বিধায় বন্দরের নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে। এ জন্য এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। গত বছর অক্টোবর মাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ১৪ বছর ধরে বন্দর প্রাঙ্গণে পড়ে থাকা অতিমাত্রায় দাহ্য ৪টি হ্যাজাডার্স কার্গো কনটেইনার সফলভাবে বন্দর এলাকা থেকে অপসারণ করে পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংস করা হয়। 

এতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে জট কমানোর লক্ষ্যে বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা প্রায় ৬ হাজার ৬৯ কনটেইনারের (প্রায় ১০ হাজার টিইইউস) ইনভেন্টরি সম্পন্ন করে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে নিলামে বিক্রির জন্য এনবিআর একটি বিশেষ আদেশ জারি করেছে। ইতোমধ্যে ওই কনটেইনারের মালপত্রগুলোর ইনভেন্টরি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কনটেইনারের নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দ্রুত চলমান নিলাম সম্পন্ন করে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট কমাতে অবদান রাখতে পারবে বলে আশা করছে এনবিআর।

এনবিআর বলেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপজ্জনক পণ্যগুলো জরুরি ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করার কাজ অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন

×