গাইবান্ধায় এনসিপির কার্যালয়ে তালা, আহ্বায়কের পদত্যাগ দাবি
ছবি: সমকাল
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০১:৫১
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কার্যালয়ে তালা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গাইবান্ধা পৌরসভার থানাপাড়ার অস্থায়ী কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন তারা। জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব বায়জিদ বোস্তামী জিম, যুগ্ম আহ্বায়ক অতনু সাহা, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুলাহ জিসান, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান তখন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাইবান্ধা জেলা কমিটিতে জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি খাদেমুল ইসলাম খুদিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এটা জুলাই আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী যোদ্ধাদের সঙ্গে বেঈমানি করা হয়েছে। তাই আমরা এনসিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছি।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক অতনু সাহা বলেন, ‘খাদেমুল ইসলাম খুদিকে পুনর্বাসিত করায় জুলাই যোদ্ধাদের সন্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা এ ব্যাপারে জানতে আহবায়ক কমিটির সদস্য গাইবান্ধা জেলা এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক নাজমুল হাসান সোহাগ, আহ্ববায়ক ফিয়াদুর রহমান দিবস ও উত্তরাঞ্চল সংগঠক সারজিস আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাইনি। এ কারণে আজ এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে তালা দিয়েছি। কমিটি বাতিল ছাড়াও আমরা ফ্যাসিবাদের দোসর খাদেমুল ইসলাম খুদির গ্রেফতার দাবি করছি।’
এ ব্যাপারে জানতে গাইবান্ধা জেলা এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক নাজমুল হাসান সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
খাদেমুল ইসলাম খুদি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক পরিবারেএ সন্তান। আমার নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস আছে। আমি কখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। এমনকি তার দোসরদের সঙ্গেও আমার রাজনৈতিক কোনো যোগাযোগ নেই।’
‘জাসদের রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিপরিপন্থী। তাই জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করতেই এনসিপিতে যোগদান করেছি’, বলেন তিনি।
