ভাঙল দুদিনের মিলনমেলা
ফরিদপুর জিলা স্কুলের পুনর্মিলনীর সমাপনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত অতিথিরা সমকাল
ফরিদপুর অফিস
প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:৪০
| প্রিন্ট সংস্করণ
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে ফরিদপুর জিলা স্কুলের গৌরবময় ১৮৫ বর্ষ উদযাপন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতেন নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীরা। দুদিনের এ মিলনমেলা গতকাল শুক্রবার রাতে রক শিল্পী জেমসের সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
পুনর্মিলনীতে অংশ নিতে আসা প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যেন ফিরে গিয়েছিলেন শৈশবের দিনগুলোতে। এ আনন্দে শরিক হতে এসেছিলেন সবচেয়ে প্রবীণ শিক্ষার্থী আকিদুল ইসলাম। তিনি ১৯৫২ সালে এ স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন। আবেগে আপ্লুত ছিলেন তিনি। ঢাকা থেকে এসেছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও পরিব্রাজক হাসনাত আব্দুল হাই। তিনি ১৯৫৪ সালে এ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন। এসেছিলেন সুভাষ চন্দ্র ঘোষ। তিনি ১৯৫৯ সালে এ স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন। বয়সের ভারে ন্যুব্জ অবস্থায় থাকলেও প্রাণের আবেগ তারা ধরে রাখতে পারেননি, তাই এ ছুটে আসা।
সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সহপাঠীদের খুঁজে ফিরেছেন। দীর্ঘদিন পর বন্ধুর দেখা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন, বুকে জড়িয়ে ধরেছেন।
বেলা ১১টার দিকে স্কুলের উন্নয়নে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কী ভূমিকা রাখতে পারেন, তা নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে ফরিদপুর জিলাস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আহ্বায়ক করা হয় মির্জা মো. আরিফুর রহমান (১৯৮৪ ব্যাচ) ও সদস্য সচিব করা হয় ওয়াহিদ মিয়াকে (১৯৮৯ ব্যাচ)।
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জিলা স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র মীর নাসির হোসেন, শহীদুল হাসান, সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, ওয়াহিদ মিয়া, মিজানুর রহমান, আতিয়ার রহমান, শামসুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন, পান্না বালা, মির্জা মো. আরিফুর রহমান, বেনজীর আহমেদ, সাইফুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।
- বিষয় :
- মিলনমেলা
