ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষকের পরিবার বলছে অপহরণ অস্বীকার ছাত্রদল নেতার
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৫৪
| প্রিন্ট সংস্করণ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েলকে অপহরণের অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সূত্র জানায়, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক পদের নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড ছিল গতকাল বুধবার। বোর্ডে অংশ নেওয়ার জন্য শরিফুল ইসলাম সকাল ৮টার দিকে তাঁর ঝিনাইদহের বাসা থেকে বের হন। এ সময় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান।
ওই শিক্ষকের ছোট ভাই জাহিদ সোহেল জানান, সকালে তার ভাই অসুস্থ অবস্থায় ক্যাম্পাসের উদ্দেশে বের হন। একটা মোটরসাইকেলের শব্দ শুনে তারা সেটাকে ক্যাম্পাসের গাড়ি ভেবেছিলেন। এর আধাঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িচালক হাসমত কল দিয়ে তাঁকে নিতে আসার কথা জানায়। ‘তিনি আগেই চলে গেছেন’ বলে জানায় পরিবার। এর পর থেকে তাঁর ও অফিসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সিসিটিভি ক্যামেরায় ছাত্রদল নেতা সাহেদকে তাঁকে উঠিয়ে নেওয়ার ফুটেজ পাওয়া গেলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
দুপুর ১২টার দিকে এ বিষয়ে সাহেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন। ওই শিক্ষক কোথায় আছেন– এ বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানান। পরে ১টার দিকে সাহেদ ওই শিক্ষককে তাঁর বাসায় পোঁছে দিয়ে ফেসবুকে লেখেন, ‘জুয়েল নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় আমাকে সকালে ফোন দিয়েছিল। আমি গিয়ে তাঁকে নিয়ে আসি।’
ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে ফেসবুক লাইভে বলেন, আমি বাসায় নিরাপদে আছি, আমাকে কেউ অপহরণ করেনি।’ এদিকে দুপুর ১টা থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল বলেন, ‘পৃথকভাবে উভয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তাদের বক্তব্য, তারা পরস্পর সমঝোতার মাধ্যমে গিয়েছিলেন। অপহরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
- বিষয় :
- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
