চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনকারী ১৫ জনকে বদলির সুপারিশ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০১:৪৫
আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ জনকে বদলির সুপারিশ করাছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এক অফিস আদেশে সোমবার এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এদের মধ্যে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপিপন্থী দুই শ্রমিক নেতাও আছেন।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরে টানা ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এর মধ্যেই এই আদেশ আসলো।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা এই আদেশে দাপ্তরিক প্রয়োজনে বদলিপূর্বক সংযুক্তি প্রদান করার কথা জানানো হয়। এর মধ্যে আট জনকে পায়রা বন্দরে এবং সাত জনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, বন্দরের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা পরিদর্শন বিভাগের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির ও ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকনকে ঢাকার পানগাঁও টার্মিনালে সংযুক্ত হিসেবে বদলির একদিনের মধ্যে যথাক্রমে মোংলা ও পায়রা বন্দরে সংযুক্তি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন আন্দোলনকারী সংগঠন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক। উভয়ে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী বন্দর শ্রমিক দলের শীর্ষ নেতা।
একই আদেশে পানগাঁও টার্মিনালে সংযুক্ত চট্টগ্রাম বন্দরের এস এস খালাশি মো. ফরিদুর রহমান, উচ্চ বহিঃসহকারী মোহাম্মদ শফি উদ্দিন ও রাশিদুল ইসলামকে পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া মোংলা বন্দরে আরও যাদের বদলি করা হয়েছে তারা হলেন- উচ্চমান সহকারী শাকিল রায়হান, চট্টগ্রাম বন্দরের উচ্চ বহিঃসহকারী আবদুল্লাহ আল মামুন, স্টোনো টাইপিস্ট খন্দকার মাসুদুজ্জামান, ইসিএম ড্রাইভার মানিক মিঝি ও আমিনুর রসুল বুলবুল এবং মেসন শামসু মিয়া। পায়রা বন্দরে আরও যাদের বদলি করা হয়েছে, তারা হলেন- স্টোনো টাইপিস্ট জহিরুল ইসলাম, এস এস পেইন্টার হুমায়ুন কবির, ইসিএম ড্রাইভার লিয়াকত আলী ও খালাশি মো. রাব্বানী।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষ অন্যায়ভাবে আমাদের বদলি করছে। হয়রানি করছে। এতে আন্দোলন আরও জোরদার হবে। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিল না করলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- বদলি
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
