ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, পলাতক ছেলে
ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ১৯:১৯ | আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ | ১৯:২০
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের দুইদিন পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা মারুফা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের বড় ছেলে মো. জুয়েল (৩৫) ও তার স্ত্রী পলাতক রয়েছেন।
বুধবার দিবাগত রাতে পুলিশ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ঘরের মাটি খুঁড়ে মারুফা বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ও নিহতের ছোট ছেলে লাভিন মিয়া জানান, লাভিন মিয়া ঢাকায় চাকরি করায় তিনি বড় ছেলে জুয়েল মিয়াসহ বাড়িতে থাকতেন। গত সোমবার থেকে হঠাৎ মারুফা বেগম নিখোঁজ হন। পরে লাভিন মিয়া ঢাকা থেকে ফিরে এসে তার মাকে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও সন্ধান পাননি। পরে লাভিন মিয়ার স্ত্রী নিজের ঘরের বিছানা গোছাতে গিয়ে রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে লাভিন মিয়াকে জানান। পরে লাভিন মিয়া থানায় এসে পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানার তোশকের নিচে রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
লাভিন মিয়া আরও জানান, বড় ভাই জুয়েলকে বাড়িতে না পেয়ে তিনি তাকে ফোন করে মায়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। তখন জুয়েল জানান, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। ঘটনার পর থেকে জুয়েল ও তার স্ত্রী পলাতক রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ হলে রাতেই ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের মাথার সামনে বাম দিকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুইদিন আগে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে মরদেহ পুঁতে রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
- বিষয় :
- নীলফামারী
- মরদেহ উদ্ধার
