ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

অ্যাম্বুলেন্স চালকদের সঙ্গে এনসিপি কর্মীদের হাতাহাতি

চমেক হাসপাতালে ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্ব

অ্যাম্বুলেন্স চালকদের সঙ্গে এনসিপি কর্মীদের হাতাহাতি
×

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ১০:১৫

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েক নেতাকর্মীর হাতাহাতি হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে হাসপাতালের পূর্ব গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির জেরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এনসিপির দুই কর্মী আহত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে দলটি।

এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিনের ভাষ্য, রোগী নিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে যাওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার চেষ্টা করলে চমেক এলাকার অ্যাম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাদের বাধা দেয়। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় তারা। পরে ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে সেখানেও বাধা দেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হামলায় আজগর আলী আশিক ও শাহাদাত নামের দুই কর্মী আহত হন।

এ বিষয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ বলেন, কিছুদিন ধরে এনসিপি নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য বলে আসছিলেন। বৈঠক না করায় তারা ঝামেলা তৈরি করে তাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এনসিপির কোনো কর্মীর ওপর হামলা করা হয়নি।

একই সমিতির অন্য এক সদস্য বলেন, তেলসহ নানা পণ্যের দাম বাড়ায় অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়াও বেড়েছে। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয়েছিল। সেটিকেই ইস্যু বানিয়েছেন এনসিপি নেতারা।

এনসিপির কয়েকজন নেতার অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে রোগী বা মরদেহ পরিবহনের ক্ষেত্রে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের বাইরে অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয় রোগী ও স্বজনদের।

এ বিষয়ে প্রশাসন নীরব ভূমিকায় আছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাসপাতাল পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেবেন এনসিপির নেতারা।

পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. জহেদুল ইসলাম বলেন, এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের উত্তেজনার একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপক্ষকে দুদিকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

আরও পড়ুন

×