ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

গতি পাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা

চবিতে আজ স্যাটেলাইটভিত্তিক সমুদ্র গবেষণাকেন্দ্রের উদ্বোধন

গতি পাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা
×

চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ০৮:২২ | আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ | ০৮:২৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন অ্যান্ড ডেটা ইনোভেশন সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই কেন্দ্র চালু হলে প্রথমবারের মতো দেশীয় পর্যায়ে রিয়েল-টাইম স্যাটেলাইট তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা তৈরি হবে। এর ফলে সামুদ্রিক গবেষণা, মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ পূর্বাভাস ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে প্রকল্পের সমন্বয়ক ও ডেটা সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মোসলেম উদ্দিন মুন্না বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরসংশ্লিষ্ট গবেষণার ক্ষেত্রে দেশের নিজস্ব রিয়েল-টাইম তথ্য সংগ্রহের সুযোগ ছিল না। ফলে গবেষকদের বিদেশি স্যাটেলাইটের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হতো। এতে তথ্য পেতে দেরি হতো। পাশাপাশি সীমিত রেজল্যুশন ও তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হয়েছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ২০১৯ সালে চীনের জাতীয় সমুদ্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (এসআইও) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি বিভাগের মধ্যে যৌথ গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই হয়। চলতি বছরের মার্চে অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হয়। বর্তমানে কেন্দ্রটি স্যাটেলাইট ডেটা সংগ্রহের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজ্ঞান কূটনীতি, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং জলবায়ু ও সামুদ্রিক গবেষণায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে চীন এই প্রকল্পে অংশীদার হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশি গবেষক ও প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান মেরিন সায়েন্সেস ও ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি সামুদ্রিক গবেষণা ও জাতীয় উন্নয়নে স্যাটেলাইট ডেটা সেন্টারের গুরুত্ব তুলে ধরে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও ভিশন রয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা শুধু চীনের সঙ্গেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই, যাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হতে পারে।’
 

আরও পড়ুন

×