ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

নিখোঁজের একদিন পর পাটখেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের একদিন পর পাটখেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
×

নিহত সানজিদা। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর অফিস

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬ | ১৭:২৫

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর সানজিদা (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ পাটখেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর আজ শনিবার বাড়ির অদূরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। 

শনিবার দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামে ডালিয়া সেচ ক্যানেলের পাশের একটি পাটখেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত সানজিদা উপজেলার ভীমপুর কোরানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় শাইলবাড়ী কিন্ডারগার্টেনের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে খেলতে বের হওয়ার পর থেকে সানজিদার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেল থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। না পেয়ে সন্ধ্যার পরে এলাকায় মাইকিং করলেও শিশুটির সন্ধান মেলেনি।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পাটখেতের মধ্যে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে সেটি নিখোঁজ সানজিদার মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুর দুইটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটিকে না পেয়ে তার পরিবারের লোকজন এলাকায় মাইকিং করেছিল। আজ পাটখেতে লাশ পাওয়ার পরে পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে গেছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই। 

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিশুটির চোখে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

আরও পড়ুন

×