ঢাকা রোববার, ২১ জুন ২০২৬

৯ বছর আগে যুবককে হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

৯ বছর আগে যুবককে হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন
×

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬ | ২০:২১

চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে ২০১৭ সালে আবু নাছের নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় আসামি ইসমাইল হোসেন সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রোববার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত ইসমাইল হোসেন সুজন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের নাছের আহম্মদের ছেলে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলার বিচারিক কার্যক্রমে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি অর্থদণ্ডও আরোপ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ রাতে নগরের অলংকার শপিং কমপ্লেক্সে নিহত হন সীতাকুণ্ড উপজেলার বাসিন্দা আবু তাহেরের ছেলে আবু নাছের। তিনি ওই মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ‘মমতাজ টেলিকম’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন। একই তলায় ‘ফেরদৌস ওয়াহিদ এসএম টেলিকম’-এর একটি অংশ ভাড়া নিয়ে মোবাইল মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন ইসমাইল হোসেন সুজন। পরে তিনি অন্য একটি দোকানে চলে গেলেও পূর্বের দোকানের বকেয়া ভাড়া নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।

ঘটনার দিন রাতে বকেয়া ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে ফেরদৌস ওয়াহিদ ও আবু নাছের সুজনের কাছে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে গেলে সুজন কাঁচি দিয়ে আবু নাছেরের বুকে ও তলপেটে আঘাত করেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর নিহতের মা মমতাজ বেগম পাহাড়তলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় দেন।

আরও পড়ুন

×