ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেঘনা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

মেঘনা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
×

নিহত মাসুদ মিয়া

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৭:১৪ | আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১৭:১৫

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মাসুদ মিয়া (৪৬) নামে এক সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকার নদীতীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাসুদ মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর শ্যামপুর এলাকার মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ভৈরব নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও পরে জেলা পিবিআইয়ের সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন মাসুদ। ঈদের পর আর কর্মস্থলে ফিরে যাননি। গত ১৯ জুন বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে ২৩ জুন তার স্ত্রী হাছনারা বেগম বাজিতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশ মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান আশুগঞ্জ এলাকায় শনাক্ত করেছিল।

নিহতের স্ত্রী হাছনারা বেগম বলেন, আমার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। পরে জানতে পারি মেঘনা নদী থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস। এ ঘটনায় হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

স্থানীয়দের ধারণা, পূর্বশত্রুতা বা স্থানীয় কিছু অসামাজিক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

ওসি মনিরুজ্জামান আরও জানান, বুধবার সকালে নিহতের স্বজনরা ভৈরবে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু নিখোঁজের ঘটনায় আগে থেকেই বাজিতপুর থানায় জিডি করা হয়েছিল, তাই পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সেখানেই সম্পন্ন হবে। এ বিষয়ে ভৈরব নৌ থানা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

আরও পড়ুন

×