দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছাতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: অনিন্দ্য ইসলাম
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি- সমকাল
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬ | ১৬:৪৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন একযোগে কাজ করছে। এটা হচ্ছে বাংলাদেশের সৌন্দর্যের সংস্কৃতি। দেশের যেকোনো সংকট মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আমি মনে করি এটা দোষারোপের সময় নয়, আমরা দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছাতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। হয়তোবা কারো কাছে আগে অথবা কারো কাছে পরে, আমরা পৌঁছাবোই।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দিয়েছে। বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকেই জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছ থেকে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়নের ১১৭টি ওয়ার্ডকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। শনিবার রাতেই আমরা জানতে পারি, কয়েকটি এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসন দুর্গতদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। অনেকেই হয়তো এই তথ্য জানেন না।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অমিত বলেন, কারো পক্ষেই বিগত সাত দিনে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি এবং কেউ এখনও পৌঁছাতেও পারেনি। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে আমরা পুনর্বাসনের কাজ শুরু করব। একজন মানুষও যাতে দুর্ভোগ ও কষ্টে না থাকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তা আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দিন, জেলা বিএনপির সদস্য নাজমুল মোস্তফা আমিন, বিমান বাহিনীর চট্টগ্রামের উইং কমান্ডার খায়রুল মামুন, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরে প্রতিমন্ত্রী স্পিডবোটে করে সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া, ধর্মপুর ও বাজালিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
- বিষয় :
- বন্যা
- ত্রাণ বিতরণ