ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ টর্নেডো, আতঙ্কিত পর্যটকরা

কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ টর্নেডো, আতঙ্কিত পর্যটকরা
×

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬ | ১৯:৩০

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে দুপুরে হঠাৎ আঘাত হানে টর্নেডো। তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এই টর্নেডো। এ সময় সুগন্ধা পয়েন্টে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। পর্যটকেরা ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে টর্নেডোর আঘাতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে সৈকতে পর্যটকদের জন্য রাখা অর্ধশতাধিক চেয়ার ও ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

শুক্রবার বিকেল পৌনে তিনটার দিকে টর্নেডোটি সুগন্ধা পয়েন্টে আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগরের দিক থেকে ঘূর্ণায়মান বাতাস ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগিয়ে আসে। মুহূর্তের মধ্যেই সেটি সৈকতের একটি অংশে আঘাত হানে। পুরো ঘটনাটি তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মতো স্থায়ী হলেও এর তীব্রতায় সৈকতে অবস্থান করা পর্যটকেরা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন।

কক্সবাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান বলেন, টর্নেডোটি সাগরের দিক থেকে উঠে এসে সুগন্ধা পয়েন্টে আঘাত হানে। এতে পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য সৈকতে রাখা ৫২টি কাঠের চেয়ার এবং ৬১টি ছাতা ভেঙে যায়। আকস্মিক এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, টর্নেডোর তাণ্ডব খুব অল্প সময় স্থায়ী হলেও এর গতি ছিল বেশ প্রবল। সৈকতে উড়ে যেতে থাকে চেয়ার, ছাতা ও বিভিন্ন হালকা সামগ্রী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পর্যটকেরা আবার ধীরে ধীরে সৈকতে ফিরতে শুরু করেন। ক্ষতিগ্রস্ত চেয়ার ও ছাতাগুলো সরিয়ে সৈকতের পরিবেশ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, সাগরপারে দেখা ঘূর্ণি বাতাস আসলে একটা টর্নেডো। তবে দুর্বল প্রকৃতির টর্নেডো এটা। এগুলো সাধারণত খুবই ধ্বংসাত্মক হয় এবং দ্রুত সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় আসতে হয়। এর কবলে পড়লে মৃত্যু প্রায় অবধারিত। হাতির শুরের মত যা থাকে তা যাকে স্পর্শ করবে, তাকে ১০০ ফুট বা আরো উপরে নিয়ে ফেলবে এবং সবকিছু দুমড়ে মুচড়ে ফেলে।

আরও পড়ুন

×