ঢাকা শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

পলিথিনে মোড়ানো ৯ টুকরা মরদেহ উদ্ধার, ভাড়াটিয়া আটক

পলিথিনে মোড়ানো ৯ টুকরা মরদেহ উদ্ধার, ভাড়াটিয়া আটক
×

ম্যাপ

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ২২:৩১ | আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ২২:৩২

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামের এক বাড়ির মালিককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার পর মরদেহ ৯ টুকরা করে পলিথিনে মুড়ে বাসার পেছনে ফেলে রাখে ঘাতকরা।

শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে মারধর করে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন ফরিদা ইয়াসমিন। তার স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বাড়িতে একাই বাস করতেন ফরিদা ইয়াসমিন। বাড়ির অন্য একটি ঘর লাইলী আক্তারের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়।

শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে তার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন। 

রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফরিদার টুকরো করা মরদেহের প্যাকেট উদ্ধার এবং লাইলী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। লাইলী আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পা ও মাথা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আটক লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরও চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন। বাকি আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন

×