ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেধাবী উম্মে হানিকে বাঁচাতে সহায়তার আকুতি বাবার

মেধাবী উম্মে হানিকে বাঁচাতে সহায়তার আকুতি বাবার
×

হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬ | ০২:৪৭

আট মাস আগেও বই-খাতা হাতে সহপাঠীদের সঙ্গে হেসেখেলে মাদ্রাসায় ছুটত ১০ বছরের শিশু উম্মে হানি। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি– প্রতিবছরই রোল নম্বর ছিল ১। মেধাবী এই শিশুকে ঘিরে মা-বাবার বুকভরা স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এক নিমেষে সব অন্ধকার করে দিয়েছে অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া নামে বিরল এক মরণব্যাধি।

উম্মে হানি দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নওনাপাড়া গ্রামের সবজি বিক্রেতা হানিফ উদ্দিন ও সালমা বেগম দম্পতির বড় মেয়ে। সে বিশাপাড়া দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার শরীরে এই রোগ ধরা পড়ে।

তার শরীরে এখন আর নিজে থেকে রক্ত তৈরি হয় না। নিয়মিত অন্যের রক্ত নিয়ে কোনোমতো সে বেঁচে আছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, দ্রুত বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন) না করলে তাকে বাঁচানো কঠিন। এ চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রায় ১৬ লাখ টাকা। 

উম্মে হানির বাবা হানিফ উদ্দিন পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা। মেয়ের প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে গিয়ে এরই মধ্যে ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তিনি। প্রতি মাসে রক্ত, ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মোটা অঙ্কের খরচ চালাতে গিয়ে ধারদেনায় জর্জরিত পরিবারটি। 

অশ্রুসজল চোখে হানিফ উদ্দিন বলেন, যেখানে সংসার চালাতেই কষ্ট হয়, সেখানে ১৬ লাখ টাকা কোথায় পাব? মেয়ের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান মানুষের সহযোগিতা চাই। 

হাকিমপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, উম্মে হানির পরিবার চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন করেছে। দ্রুত তাকে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।

মেধাবী এই শিশুটির প্রাণ বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে সহায়তার জন্য আকুতি জানিয়েছে তার পরিবার। সহায়তা পাঠাতে– বিকাশ ও নগদ (পার্সোনাল): ০১৭৮০৯১৮০৪৯। 

আরও পড়ুন

×