ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘দেশে ডিমের চাহিদা স্থানীয় খামারিরাই পূরণে সক্ষম’

‘দেশে ডিমের চাহিদা স্থানীয় খামারিরাই পূরণে সক্ষম’
×

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:১০

| প্রিন্ট সংস্করণ

স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত ডিম দিয়েই দেশের চাহিদা পূরণ সম্ভব। তাই করপোরেট খামারিরা যেন ডিম রপ্তানি করেন, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের খামারিরা। গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি তোলেন তারা। 

পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দফায় দফায় পোলট্রি ফিড আর ওষুধের দাম বাড়ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন খামারি আর ভোক্তারা। লাভবান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। গ্রামাঞ্চলের খামারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে লাভবান হবেন করপোরেট খামার মালিকরা।
সমিতির সভাপতি সাদেকুর রহমান বলেন, এতদিন একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হতো ১০ টাকা ৩০ পয়সা। হঠাৎ করে পোলট্রি ফিডের দাম কেজিতে দুই টাকা বেড়ে গেছে। ওষুধের দামও বাড়ছে। ফলে এখন একটি ডিম উৎপাদনে খরচ পড়বে ১১ টাকা। বর্তমানে লোকসান দিয়ে ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে খামারিরা টিকতে পারবেন না। অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে, আরও বন্ধ হবে। অথচ জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই উৎপাদন খাতে প্রচুর বেকার ও শিক্ষিত যুবক নিয়োজিত রয়েছেন। 

কিশোরগঞ্জে লেয়ার, ব্রয়লারসহ বিভিন্ন মুরগির প্রায় পাঁচ হাজার খামার রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পোলট্রি খামার রক্ষায় একটি সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতিমালা প্রয়োজন। 
সাম্প্রতিক সংকটের জন্য অন্য বক্তারা করপোরেট পোলট্রি খামারের মালিকদের দায়ী করে বলেন, ডিম ও মুরগির বাজার করপোরেট হাউসগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। সাধারণ খামারিরা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে ডিমের বাজার তাদের হাতেই চলে যাবে। খামারিরা অন্যায় পথে না গিয়ে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা ভালো থাকতে চান, দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ করতে চান। খামারিরা ব্যাংক, এনজিও বা পরিবার থেকে টাকা নিয়ে খামার করেন। দেশের ৭০-৮০ লাখ মানুষ এই শিল্পে যুক্ত।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সোলায়মান কবির, রাশিদ আহমেদ, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।
 

আরও পড়ুন

×