নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭০
প্রতীকী ছবি
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:১৭ | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৩৩
নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১৭০ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় এ অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।
জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ১৭০ জনের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং ১০ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
থানাভিত্তিক হিসাবে, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং ছয়জনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়। বাকি ৪১ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক ৩২ জনের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে বাকি ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১২ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন, কবিরহাটে ৯ জন, চাটখিলে ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগে ৩ জন এবং চরজব্বরে ৩২ জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
- বিষয় :
- নোয়াখালী
- কিশোর গ্যাং
- আটক
- অভিযান