ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন

মঠবাড়িয়ায় দাদার কবরের পাশে সমাহিত মুক্তা

মঠবাড়িয়ায় দাদার কবরের পাশে সমাহিত মুক্তা
×
×

নাসরিন আক্তার মুক্তা

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ০৯:১০

| প্রিন্ট সংস্করণ

১১ দিনের উৎকণ্ঠা আর অপেক্ষার পর পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দাদার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে মারা যাওয়া স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তাকে।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের খানবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মুক্তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা অংশ নেন।

অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর মুক্তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছিল গলায় থাকা লকেট দেখে। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল লকেটটি দেখে পরিচয় নিশ্চিত করেন। দাফনের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। যাকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় দিন গুনছিলেন তারা, শেষ পর্যন্ত তাঁর মরদেহ ফিরল বাড়িতে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ থেকে মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
১৭ অক্টোবর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মুক্তা। তিনি ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন তিনি।

অগ্নিকাণ্ডের পর অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হলেও মুক্তার খোঁজ মিলছিল না। ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মধ্যেও তাঁর মরদেহ ছিল না। প্রিয়জনের সন্ধানে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল পরিবারের সদস্যদের। অবশেষে মঙ্গলবার নতুন করে তল্লাশি চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ জনে।
মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালের অভিযোগ, শুরু থেকে যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে হয়তো আরও আগেই তাঁর স্ত্রীর সন্ধান পাওয়া যেত। উদ্ধারকাজে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন

×