ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫ বছরে অর্ধেকে, ফেল ৭৫ হাজার ৪৬২ পরীক্ষার্থী

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫ বছরে অর্ধেকে, ফেল ৭৫ হাজার ৪৬২ পরীক্ষার্থী
×
×

ফল ঘোষণা করেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রফেসর ইফফাত জেরিন। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী ব্যুরো 

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:০২

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে এবার পাসের হার ৪৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন। গত ৫ বছরে পাসের হার অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছে। ২০২০ সালে অটোপাসের পর ২০২১ সালে পাসের হার ছিলো ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। ৫ বছর পর সেই হার নেমে এসেছে অর্ধেকের নিচে।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ প্রফেসর ইফফাত জেরিন এই ফলাফল ঘোষণা করেন। গতবছর পাসের হার ছিলো ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। জিপিএ ৫ ছিলো ১০ হাজার ১৩৭ জন। পাসের হার ও জিপিএ ৫ দু’দিক দিয়েই এবার পিছিয়েছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড।

এ বছর মোট এক লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থী ছিলো। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন এক লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন। পরীক্ষায় পাস করেন ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। পাস করতে পারেননি ৭৫ হাজার ৪৬২ জন বা ৫৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এক বিষয়ে অকৃতকার্যের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ হাজার ১৮১ জন বা ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এক বিষয়ে অকৃতকার্য ছিলো ২৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৬৮ জন বা ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

এবার শূন্য শতাংশ পাসের হার বা কেউ পাস করতে পারেনি এমন কলেজের সংখ্যা ৩৯টি। গত বছর ৩৫ কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।

এবার শতভাগ পাস করেছে ৯টি কলেজের শিক্ষার্থী। গতবছর শতভাগ পাসকৃত কলেজ ছিলো ১৮টি।
এবছর ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো।

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শামীম আরা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস করেনি। কোভিড ১৯ হবার পর তারা ঘরে বসে অভ্যস্ত হয়। ওই সময় থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, অটোপাস শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষতি করেছে। এছাড়া ইংলিশে বেশি ফেল করে। কারণ, গ্রামাঞ্চলের স্কুলগুলোতে ভালো শিক্ষক নেই। যেটা প্রকৃত রেজাল্ট সেটাই আমরা দিয়েছি। কাউকে বেশি নম্বর দেওয়া হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, এ থেকে আমাদের উত্তরণ করতে হবে। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস এবং পড়ার টেবিলে ফেরাতে হবে।

আরও পড়ুন

×