ঈশ্বরদীতে যাত্রীকে বাস থেকে ফেলে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১০:৫০
ঈশ্বরদীতে ভাড়া নিয়ে তর্কের জের ধরে চলন্ত বাস থেকে এক যাত্রীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বাসের হেলপার ও সুপারভাইজারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হেলপারের নাম মো. নাছিম (২০)। সে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদাহ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। গ্রেপ্তার সুপারভাইজার রোকনুজ্জামান রোকন একই উপজেলার গোড়ারপাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে।
এর আগে বিকেলে ঈশ্বরদী থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত বাসযাত্রী সুমন হোসেনের স্ত্রী রুমা খাতুন।
পুলিশ জানায়, যে বাস থেকে সুমনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে সে বাসটি পাকশী লালন শাহ সেতুর সিসিটিভির ক্যামেরার ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাসের হেলপার ও সুপারভাইজারকে অভিযান চালিয়ে ঈশ্বরদী শহরের প্রধান সড়ক থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অরবিন্দ সরকার জানান, নিহত সুমন হোসেনের স্ত্রী রুমা খাতুন বাদী হয়ে সনি পরিবহন নামের ওই বাসের ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারকে আসামি করে মামলা করেছেন।
ঈশ্বরদী থানার সাব-ইন্সপেক্টর বিকাশ কুমার চক্রবর্তী জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হেলপার ও সুপারভাইজারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে পাকশী লালন শাহ সেতুর টোল প্লাজার কাছে ভাড়া নিয়ে তর্কের জের ধরে চলন্ত বাস থেকে যাত্রী সুমন হোসেনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করে বাসের হেলপার ও সুপারভাইজার। নিহত ব্যক্তি পাকশীর ঝাউতলা এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। সুমন হোসেন রূপপুরে একটি হোটেলে কাজ করতেন।
