ভোটার তালিকা আইন সংশোধন বিল পাস
ফাইল ছবি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:২৭
মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই শেষে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্তির জন্য সময় বাড়াতে 'ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল ২০২০' পাস হয়েছে। রোববার সংসদের বৈঠকে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, ভোটার দিবসের সঙ্গে মিল রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় '২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ' করা হয়েছে। এতে হালনাগাদের সময় ৩০ দিন থেকে বেড়ে ৬০ দিন করা হয়েছে।
বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তি করা হয়। জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সদস্য হারুনুর রশীদ ও রুমিন ফারহানা চলমান নির্বাচন প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।
রুমিন বলেন, যে দেশে আগের রাতে ভোট হয়, প্রশাসন ও দলীয় ক্যাডাররা ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভরে রাখে, ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা যান না; সেই দেশে ভোটার তালিকা করে কী লাভ।
একইভাবে হারুনুর রশীদ বলেন, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া কি এভাবেই চলতে থাকবে? সংসদে আসার আগেই ঢাকার ভোট নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষ দেখে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব, প্রশাসন নীরব। এভাবে চলতে থাকলে আইন প্রণয়ন করে কী হবে।
বিএনপির এমপিদের এসব বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিএনপির মুখে এসব কথাই মানায়। কারণ, তাদের ভোট করার অভ্যাস নেই। তারা ক্ষমতা দখল করে হ্যাঁ, না ভোট করেছিল। তাতেও সন্তুষ্ট হতে না পেরে এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়ে নির্বাচনে জয়লাভের চেষ্টা করেছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনের আয়োজন করেছিল।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইনে প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে হালনাগাদ করার বিধান রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করে সারাদেশে সিডি আকারে প্রস্তুত অনেক কষ্টসাধ্য। এজন্য সময় বাড়াতে বিলটি আনা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২ মার্চ 'জাতীয় ভোটার দিবস' ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিষয় :
- ভোটার তালিকা
- বিল
