ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চবিতে আবাসন সংকট

হল উদ্বোধনের ৪ বছরেও আসন বরাদ্দ দেয়নি প্রশাসন

হল উদ্বোধনের ৪ বছরেও আসন বরাদ্দ দেয়নি প্রশাসন
×

ফাইল ছবি

চবি সংবাদদাতা

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ | ১০:৩২

২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা হল একসঙ্গে উদ্বোধন করেন। তবে চার বছর পার হলেও দুটি হলে শিক্ষার্থীদের আসন বরাদ্দ দেয়নি প্রশাসন।

মেয়েদের হলগুলোতে আবাসন সংকট প্রকট হওয়ায় প্রায় এক বছর ধরে শেখ হাসিনা হল খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন ছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে হল চালু হতে বিলম্ব হচ্ছে।

রোববার সকাল ১০টা থেকে হল খুলে দেওয়ার দাবিতে এর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন মেয়েরা। এ সময় তারা দুটি দাবি তোলেন, আগামী এক কার্যদিবসের মধ্যে হলের সাক্ষাৎকারের ফল দিতে হবে ও আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে যার যার নামে বরাদ্দ বৈধ সিটে ওঠার নির্দেশের নোটিশ দিতে হবে। পরে দুপুর ১২টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে তাদের বুঝিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, ৩ নভেম্বরের সাক্ষাৎকারের ফল প্রকাশ করা হবে এবং ৫ নভেম্বর আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরে ছাত্রীরা অবস্থান কর্মসূচি শেষ করেন।

ছাত্রীরা বলেন, উদ্বোধনের চার বছর ধরে সংযুক্তি দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীদের আসন বরাদ্দের বিষয়ে প্রশাসন ছিল উদাসীন। প্রশাসনের এ অবহেলা ও গাফিলতির তীব্র নিন্দা জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ হোসেন সমকালকে বলেন, হল দুটিতে প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছিল অনেক আগেই। দ্বিতীয় ধাপে হল সম্প্রসারণের কাজ চলছে। তার পরও শিক্ষার্থীরা যেহেতু দাবি করেছিল, তাই মূল অংশের দুটি ব্লক চার-পাঁচ মাস আগে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়।

হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রীদের আসন বরাদ্দের ব্যাপারে আমরা কাজ শুরু করেছি। লোকবল সংকটের কারণে কাজটি ধীরগতিতে হচ্ছে। দু'মাসের মধ্যে আমরা তাদের আসন বরাদ্দ দিয়ে হলে ওঠাতে পারব।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর রেজাউল করিম সমকালকে বলেন, নতুন ভিসি দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। তারা আজ অবস্থান নিয়েছিল। আমরা গিয়ে সেখানে তাদের বুঝিয়েছি এবং প্রক্টর অফিস থেকে লিখিত পাঠিয়েছি হলে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. শিরীন আখতার সমকালকে বলেন, এটা তো দুই বছরের সমস্যা। আমরা তা দুই মাসে সমাধান করে দিচ্ছি। আর আমার দায়িত্বে আমি নিয়োগ দিতে পারছি না, সেজন্য লোক ধার করে হল চালাতে হবে।

আরও পড়ুন

×