ভূমিবিরোধ ও দুর্নীতি-১
মামলায় জীবন পার, অন্তহীন ভোগান্তি
হকিকত জাহান হকি
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ | ১৬:৫৫ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০১৯ | ২১:৩১
দেশের অগণিত মানুষ বছরের পর বছর ভূমি-সংক্রান্ত মামলায় অসহনীয় হয়রানি ও দুর্ভোগের মধ্যে আছেন। অনেকে মামলার পেছনে অর্থ খরচ করে অসহায় হয়ে পড়ছেন। অনেককে বংশপরম্পরায় ঘুরতে হচ্ছে একই মামলার পেছনে। মানসিক যন্ত্রণা, আর্থিক লোকসান আর নথিপত্রের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরছেন বাদী-বিবাদীরা। ভূমি বিরোধের কারণে বর্তমানে সারাদেশে কমবেশি ১০ লাখ মামলা বিচারাধীন। মামলাসহ ভূমির নানা খাতে রয়েছে ভয়াবহ দুর্নীতিও। সারাদেশেই প্রভাবশালী চক্র সরকারি জমি দখল করে খাচ্ছে।
সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, সারাদেশের আদালতগুলোতে ফৌজদারিসহ নানা অপরাধে যত মামলা আছে, তার ৮০ শতাংশই ভূমি নিয়ে। খুন-খারাবির মতো ভয়ানক ঘটনাও ঘটছে ভূমি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে। দীর্ঘদিনে এই মামলার জট আজ মহাজটে পরিণত হয়েছে।
তবে ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভূমির ৮০ শতাংশ মামলার মধ্যে ৬০ শতাংশই পারিবারিক দ্বন্দ্ব-কলহে হয়েছে। তাই এ-সংক্রান্ত মামলার দীর্ঘ জট দূর করতে পারিবারিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিকল্প নেই। জমির দাম উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ায় এবং জনসংখ্যার অনুপাতে ভূমির পরিমাণ ক্রমে সীমিত হয়ে পড়ায় মরিয়া মানুষ জড়িয়ে পড়ছে নানা ভূমি বিরোধে।
সমকালের অনুসন্ধানে ঢাকাসহ সারাদেশে ভূমি-সংক্রান্ত মামলার কারণে মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের চিত্র উঠে এসেছে। এ ক্ষেত্রে স্বল্প আয়ের মানুষের ভোগান্তি অন্তহীন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ- সবখানেই দুর্ভোগ এবং দুর্নীতির একই চিত্র পাওয়া গেছে।
এ প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ সমকালকে বলেন, ভূমির মামলা কমাতে হলে মানুষের মানসিকতা পাল্টাতে হবে। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধে ৬০ শতাংশের বেশি মামলা হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে বিভেদ কমলে মামলার জটও কমবে। একই সঙ্গে নতুন মামলার হারও কমে আসবে। তিনি বলেন, ভূমি নিয়ে বিরোধ কমাতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজড করা হচ্ছে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ভূমি-সংক্রান্ত মামলার জট কমাতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আইন শিগগিরই সংশোধন করা হচ্ছে। আইনটি সংশোধন হলে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারকের পাশাপাশি দেশের সব আদালতের সব সিনিয়র সহকারী জজও ভূমি-সংক্রান্ত মামলা পরিচালনা করতে পারবেন। এতে ভূমি-সংক্রান্ত মামলা পরিচালনা ও নিষ্পত্তির পরিধি বেড়ে যাবে। মন্ত্রী আশা করেন, তাতে ভূমির মামলা নিয়ে মানুষের হয়রানি-ভোগান্তি কমবে। ভূমির মামলার জট কমাতে এ ছাড়া আরও উদ্যোগের বিষয় ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ভূমি আপিল বোর্ড, নিম্ন আদালত, উচ্চ আদালত ও এসিল্যান্ড অফিসগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারাদেশে ছড়িয়ে আছে ভূমি-সংক্রান্ত মামলার দুর্ভেদ্য জাল। তাতে আটকে আছে হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার গল্প। যারা নিজের জমির দখল হারিয়ে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন, তারা বাস করছেন অন্তহীন এক সংকটের মধ্যে। মামলার পেছনে ঘোরাঘুরি করতে করতে তাদের মুখমণ্ডল তামাটে বিবর্ণ হয়ে গেছে। নিজের জমি হারিয়ে দলিল-দস্তাবেজ বইতে বইতে, উকিলের পেছনে টাকা খরচ করতে করতে চরম হতাশায় নিমজ্জিত মানুষদেরই একজন খুলনা জেলার পাইকগাছার সুবল ঢালী। এ রকম হাজার হাজার সুবল ছড়িয়ে আছেন সারাদেশে। পারিবারিক কলহ, সামাজিক বিরোধ, প্রতিহিংসা, সামাজিক প্রভাব, লোভ, বেদখল, জেদাজেদি-রেষারেষি- নানা কারণে তারা আটকে গেছেন দুর্ভোগের জালে।
ভূমি বিরোধ নিয়ে যত মামলা: ভূমি-সংক্রান্ত যেসব মামলা বিচারাধীন, সেগুলো হলো- জমি নিয়ে বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ক্রিমিনাল মামলা, জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে দেওয়ানি মামলা, জমির অংশ নির্ধারণ মামলা, দলিল সংশোধন মামলা, জমির রেকর্ড ভুল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা, জমির জরিপ কার্যক্রম চলার সময় বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে মামলা, এসিল্যান্ডদের কাছে নামজারি-সংক্রান্ত মামলা, এসিল্যান্ডদের কাছে বিবিধ মামলা, সায়রাত ও জলমহাল-সংক্রান্ত মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর সার্টিফিকেট মামলা, খাসজমি বন্দোবস্ত-সংক্রান্ত মামলা, অর্পিত, পরিত্যক্ত ও বিনিময় সম্পত্তিবিষয়ক মামলা ও ওয়াকফ/দেবোত্তর সম্পত্তি-সংক্রান্ত মামলা।
এ ছাড়া এসিল্যান্ডদের রায় বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে রাজস্ব আপিল মামলা, জেলা প্রশাসকের রায়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল মামলা ও বিভাগীয় কমিশনারের রায়ের বিরুদ্ধে ভূমি আপিল বোর্ডে আপিল মামলা করা হয়। ভূমি নিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে ১০৭, ১৩৩, ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় প্রিভেনটিভ মামলাও হচ্ছে।
কোথায় কত মামলা বিচারাধীন: সারাদেশে ভূমি বিরোধের ফলে মামলা বিচারাধীন রয়েছে কমবেশি ১০ লাখ। এর মধ্যে জজকোর্টে ভূমির বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কমবেশি পাঁচ লাখ। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এক হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকাসহ সারাদেশের ৪২টি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা তিন লাখ তিন হাজার ৩৫টি। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক হিসাবে ভূমি আপিল বোর্ডে বিচারাধীন মামলা এক হাজার ৬৮২টি। চলতি বছরের মে পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের (রাজস্ব) আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা এক হাজার ৬৯১টি। একই সময় পর্যন্ত দেশের ৬৪টি জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে বিচারাধীন ১২ হাজার ২০৯টি মামলা। সারাদেশের ৫০০ এসিল্যান্ডের আদালতে প্রায় এক লাখ মামলা বিচারাধীন। এ ছাড়া উচ্চ আদালতে সরকারি জমির মালিকানা নিয়ে ভূমি সচিবকে বিবাদী করা বিচারাধীন মামলা এক লাখের বেশি।
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মামলা: সারাদেশের ৪২টি জেলার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মোট তিন লাখ তিন হাজার ৩৫টি মামলা। এর মধ্যে ঢাকায় পাঁচ হাজার ১৭১, টাঙ্গাইলে ১৩ হাজার ৪০৩, কিশোরগঞ্জে ৪৩ হাজার ৩১, ফরিদপুরে ছয় হাজার ৬৩১, রাজবাড়ীতে এক হাজার ৯২০, গোপালগঞ্জে আট হাজার ৯৮৮, শরীয়তপুরে পাঁচ হাজার ৭৩০, মাদারীপুরে তিন হাজার ৬৩৫, নোয়াখালীতে ছয় হাজার ৪৭১, ফেনীতে ৭৩০, লক্ষ্মীপুরে তিন হাজার ৪৪৮, কুমিল্লায় আট হাজার ৭৩৫, ব্রা?হ্মণবাড়িয়ায় ছয় হাজার ৫৪৩, চাঁদপুরে ১৪ হাজার ২০৮, বগুড়ায় পাঁচ হাজার ৭০২, জয়পুরহাটে তিন হাজার ৮৬, পাবনায় এক হাজার ৬৪৩, সিরাজগঞ্জে ৪৮০, খুলনায় ১০ হাজার ৩৪৫, বাগেরহাটে ৯ হাজার ৬৬৩, যশোরে ১১ হাজার ৬৮৩, ঝিনাইদহে দুই হাজার ২৪৪, সাতক্ষীরায় ১০ হাজার ২৫২, মাগুরায় দুই হাজার ৯৪০, নড়াইলে এক হাজার ৮৭৫, বরিশালে চার হাজার ৩২৬, ভোলায় দুই হাজার ৩৭, ঝালকাঠিতে তিন হাজার ৩০, পিরোজপুরে পাঁচ হাজার ৬৫১, সিলেটে চার হাজার ২৫১, সুনামগঞ্জে দুই হাজার ১৩২, মৌলভীবাজারে দুই হাজার ৬৭৮, হবিগঞ্জে ছয় হাজার ৩৪৫, রংপুরে সাত হাজার ২৭, গাইবান্ধায় এক হাজার ৫৩২, কুড়িগ্রামে এক হাজার ৪২৩, নীলফামারীতে ৮৪৪, লালমনিরহাটে ৭১৪, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৬৮৮, জামালপুরে ১৭ হাজার ৩২৯, শেরপুরে তিন হাজার ৪৮২ ও নেত্রকোনায় ১৯ হাজার ৯৮৯টি মামলা রয়েছে।
ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৪ সালে প্রতিটি জেলায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এ ক্ষেত্রে ৪২টি জেলায় এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আইন মন্ত্রণালয়। বাকি ২২টি জেলাকে ভাগ করে সেগুলো ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে একীভূত করা হয়। তবে একীভূত জেলাগুলোর অধিবাসীরা দূরত্বের কারণে ৪২ জেলার সংশ্নিষ্ট ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে আগ্রহী হননি। তারা নিজ জেলার আদালত ও সংশ্নিষ্ট এসিল্যান্ড অফিসগুলোতে ভূমি বিরোধ-সংক্রান্ত মামলা করেছে। উচ্চ আদালতের এক প্রতিবেদনে এই ২২ জেলায় সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা পাওয়া যায়নি।
২২ জেলার মধ্যে রয়েছে- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়।
জাল নিলামে জাল দলিলে জমি দখল: সরেজমিনে জানা গেছে, জাল নিলামে কবলা দলিল করে খুলনার পাইকগাছার সুবল ঢালীর আট একর ৬৩ শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে একই এলাকার বাবুলাল মালি। উপজেলার উত্তর কাঠামারি মৌজার এই জমির পৈতৃক সূত্রে মালিক সুবল ঢালী। মালিকানা-সংক্রান্ত সব ধরনের দলিলপত্র রয়েছে তার কাছে। জমির জাল দলিলটি বাবুলাল মালির বাবা পাগল চন্দ্র মালির নামে। ১৯৭৬ সালে জাল দলিলের মাধ্যমে তিনি এ জমি নিজের দখলে নেন। পাগল চন্দ্রের মৃত্যুর পর এখন ওই জমি বাবুলাল মালির দখলেই রয়েছে।
নিজের জমি ফেরত পেতে সুবল ঢালী বাদী হয়ে বাবুলাল মালিকে আসামি করে আপিল মামলা করেছেন ভূমি আপিল বোর্ডে। মামলাটি বিচারাধীন। মামলার কাজে খুলনার সুদূর পাইকগাছা থেকে ঢাকার সেগুনবাগিচায় ভূমি আপিল বোর্ডের অফিসে আসতে হয় সুবল ঢালীসহ তার ঘনিষ্ঠজনদের। সুবল ঢালী সমকালকে বলেন, আসা-যাওয়ার ভোগান্তি ও মামলার কাজে অর্থ খরচে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এ মামলার শুনানি কবে শেষ হবে, কবে রায় হবে- এ প্রতীক্ষার দিন কাটছে না কিছুতেই।
আরও মামলা: সিলেটের সায়মা বেগম জেলার নজরুল ইসলামকে আসামি করে ভূমি আপিল বোর্ডে নামজারি-সংক্রান্ত আপিল মামলা করেছেন ২০১৬ সালে (মামলা নম্বর ৫-১৩৫/১৬)। এটিও বিচারাধীন। বাগেরহাটের মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে আ. সালামের করা নামজারি-সংক্রান্ত মামলাও বিচারাধীন (মামলা নম্বর ৪-১৬৩/১৬)। নোয়াখালীর নুরুল হককে আসামি করে বাদী ওমর ফারুকের দেওয়া নামজারি-সংক্রান্ত মামলাটিও (৪-১৬/১৯ নম্বর) বিচারাধীন।
ভূমি আপিল বোর্ডের সচিব মো. আবু তালেব বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ডিজিটাইজেশনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মামলা অনলাইনের আওতায় আনা হলে কখন কোন মামলা কোন আদালতে কোন অবস্থায় উঠছে, তার সব তথ্যই জানা যাবে। নিয়মিত এসব তথ্য জানা গেলে সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে। মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া ঠিক সময়ে সম্পন্ন করা গেলে জট কমতে থাকবে।
ভূমি আপিল বোর্ডে বিচারাধীন মামলার মধ্যে নামজারি-সংক্রান্ত মামলা ৭৬ শতাংশ, বন্দোবস্ত-সংক্রান্ত ৯ শতাংশ, অর্পিত সম্পত্তি-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ ও অন্যান্য মামলা ১ শতাংশ।
ভূমি আপিল বোর্ড এরই মধ্যে ডিজিটাইজেশনের আওতায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে বিচারাধীন মামলা মনিটর করছে। সারাদেশের ৫০০ এসিল্যান্ডের আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলো বোর্ডের নিয়মিত পরিদর্শনের কথা থাকলেও উভয় অফিসের মধ্যে অনলাইন নেটওয়ার্ক গড়ে না ওঠায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
অনলাইনে এসিল্যান্ড অফিসের মামলাগুলো মনিটরিংয়ের কাজ দীর্ঘদিনেও শুরু করতে পারেনি ভূমি আপিল বোর্ড। বারবার এ বিষয়টি কাগজে উল্লেখ করা হচ্ছে। বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই বললেই চলে। কাজের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার অভাবেই ভূমির মামলার জট আজ মহাজটে পরিণত হয়েছে।
- বিষয় :
- ভূমিবিরোধ ও দুর্নীতি
- মামলা
