পুলিশের ভুলে জেল খাটা রুবেল জামিনে মুক্ত
×
আতিক ইসলাম রুবেল
সমকাল প্রতিবেদক, ঢাকা ও শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
অবশেষে দুই মাস ২২ দিন হাজতবাসের পর বুধবার জামিনে মুক্ত হলেন নিরপরাধ রুবেল। আদালতের নির্দেশনা কারাগারে পৌঁছানোর পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি মুক্তি পান। মূল আসামির নাম ও বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। শিবগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) আতিক ইসলাম রুবেলের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে এক রুবেলের অপরাধে আরেক রুবেলকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাও হাইকোর্টকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। এর আগে এ বিষয়ে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনা হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এ সময় আদালতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ কালুপুর বেইলি ব্রিজ এলাকা থেকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন পাঁকা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মুন্টু আলীর ছেলে রুবেল আলী ওরফে বাবুল। থানা পুলিশ ওইদিনই তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে কারাগারে পাঠানো হলেও ৫ দিনের মাথায় জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় এই আসামি। এদিকে আসামির বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দীর্ঘদিন পর গত ১০ মার্চ একই এলাকার জামাইপাড়া গ্রামের মুন্টু আলীর ছেলে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মূল আসামি ও তার বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে গতকাল শিবগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম শাহ জুডিশিয়াল তৃতীয় আদালতে ভুলক্রমে গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করে রুবেলের জামিন চান। একই সঙ্গে মূল আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে পুনরায় পরোয়ানা থানায় পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন, পরিবারটি প্রথমে কিছু না বললেও বিষয়টি আলোচনায় আসার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক তদন্ত করে সত্যতা পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ নিয়ে একটি আবেদন পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মূল আসামি রুবেল আলী বছরখানেক আগে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেছে। তার বাবা মুন্টু আলী বলেন, সে কোথায় গেছে জানি না। তবে মূল আসামি রুবেল ফোনে জানান, কয়েক পুরিয়া গাঁজাসহ তাকে ধরেছিলেন শিবগঞ্জ থানার এক কনস্টেবল। পরে এসআই আবদুস সালামের কাছে নিয়ে যান। মামলা হালকা করার জন্য সোনা মিয়া নামের এক দালালের মাধ্যমে ২৬ হাজার টাকা নেয় পুলিশ। সোনা মিয়াই উকিল ধরে জামিন করায়। তখন বলা হয়েছিল মামলাটি আর নেই।
এদিকে এক রুবেলের অপরাধে আরেক রুবেলকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাও হাইকোর্টকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। এর আগে এ বিষয়ে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন হাইকোর্টের নজরে আনা হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এ সময় আদালতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ কালুপুর বেইলি ব্রিজ এলাকা থেকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন পাঁকা ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মুন্টু আলীর ছেলে রুবেল আলী ওরফে বাবুল। থানা পুলিশ ওইদিনই তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে কারাগারে পাঠানো হলেও ৫ দিনের মাথায় জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায় এই আসামি। এদিকে আসামির বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দীর্ঘদিন পর গত ১০ মার্চ একই এলাকার জামাইপাড়া গ্রামের মুন্টু আলীর ছেলে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মূল আসামি ও তার বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে গতকাল শিবগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম শাহ জুডিশিয়াল তৃতীয় আদালতে ভুলক্রমে গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করে রুবেলের জামিন চান। একই সঙ্গে মূল আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে পুনরায় পরোয়ানা থানায় পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন, পরিবারটি প্রথমে কিছু না বললেও বিষয়টি আলোচনায় আসার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক তদন্ত করে সত্যতা পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ নিয়ে একটি আবেদন পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মূল আসামি রুবেল আলী বছরখানেক আগে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেছে। তার বাবা মুন্টু আলী বলেন, সে কোথায় গেছে জানি না। তবে মূল আসামি রুবেল ফোনে জানান, কয়েক পুরিয়া গাঁজাসহ তাকে ধরেছিলেন শিবগঞ্জ থানার এক কনস্টেবল। পরে এসআই আবদুস সালামের কাছে নিয়ে যান। মামলা হালকা করার জন্য সোনা মিয়া নামের এক দালালের মাধ্যমে ২৬ হাজার টাকা নেয় পুলিশ। সোনা মিয়াই উকিল ধরে জামিন করায়। তখন বলা হয়েছিল মামলাটি আর নেই।