করোনা উপসর্গ
চিকিৎসকসহ মৃত্যু আরও ২০ জনের
×
নির্দেশনার পরও চট্টগ্রামে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা। রোগী নিয়ে স্বজনকে ছুটতে হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে। রোববার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তোলা ছবি - মো. রাশেদ
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ১৪ জুন ২০২০ | ১৩:৪৪
করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে একদিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামে আরেক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নগরের জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের চিকিৎসক সাদেকুর রহমান (৬৫)। সিলেটে স্থানীয় একটি অনলাইন পত্রিকার এক সাংবাদিক একই লক্ষণ নিয়ে মারা গেছেন। জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও চকরিয়ায় এক পল্লি চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। পঞ্চগড়ে মারা গেছেন এক মুক্তিযোদ্ধা। নেত্রকোনায় পুলিশ সদস্য ও খুলনায় অবসরপ্রাপ্ত এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ সাতজনসহ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গে ২০ জনের মৃত্যুর খবর এলো। তাদের মধ্যে পটুয়াখালীর বাউফলে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষিকা, চাঁদপুরে ছয়জন, বরিশালে চারজন, কুমিল্লায় দু'জন, দিনাজপুর ও পিরোজপুরে একজন করে মৃত্যু হয়েছে। কভিড-১৯-এর লক্ষণ নিয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৭১৯ জন। সমকালের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুল হক জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে ডা. সাদেকুর রহমানকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে তার তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে আইসিইউর প্রয়োজন হয়। সেখানে আইসিইউ না পাওয়ায় তাকে মা ও শিশু হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইসিইউতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ভোরে তিনি মারা যান।
সিলেটে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে লিটন দাস লিকন নামে এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি বালাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও স্থানীয় একটি অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরী (৬৫) জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
একই সমস্যা নিয়ে জেলার চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে গতকাল সকাল ১১টায় মারা গেছেন স্টিফেন গঞ্জালভেস (৪২) নামে এক পল্লি চিকিৎসক।
পঞ্চগড়ে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবার রাতে আব্দুস সামাদ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। রংপুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
বুকে ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল সকালে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পুলিশ সদস্য কামরুজ্জামানের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। তা র বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল সন্ধ্যায় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এসআই আবুল হোসেনের (৭০) মৃত্যু হয়। তিনি নগরীর খালিশপুর হাউজিং এলাকার বাসিন্দা।
চাঁদপুর শহরের চিত্রলেখা এলাকার এক ব্যক্তি (৬৫) গতকাল ভোর ৫টায়, সদর উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের বৃদ্ধ (৭০) শনিবার রাত দেড়টায় ও বালিয়া ইউনিয়নের একজন (৪২) রাত ৯টায় নিজ বাড়িতে মারা যান। হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখালের একজন (৬৫) গতকাল সকালে, ধোয়াণ্ডা গ্রামের বৃদ্ধ (৮৯) শনিবার রাত ২টায় ও ধেররা চৌধুরী বাড়ির আরেক বৃদ্ধ (৭৫) রাত ৩টায় নিজ বাড়িতে মারা যান। করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের প্রত্যেকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে গতকাল সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী এলাকার এক নারী (৬৫) মারা যান। দুপুর ২টায় মারা যান আমানতগঞ্জ বেলতলা এলাকার এক ব্যক্তি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার মুশুরিয়া এলাকার এক ব্যক্তি (৭৫), বিকেল ৪টায় সদর উপজেলার বড়ইকান্দি এলাকার একজনের (৬০) মৃত্যু হয়।
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামে নিজ বাড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে শনিবার সকালে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাঁচ মাস আগে ওমান থেকে দেশে আসেন। একই দিন বিকেলে একই সমস্যা নিয়ে উপজেলার বেলাশ্বর গ্রামের এক গৃহবধূ মারা যান।
জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকা (৬৫) গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে মারা যান।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় জ্বর, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক ব্যক্তি (৭২) গতকাল ভোরে উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বিন্নাগাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাণ্ডারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এক পান ব্যবসায়ী (৫০) গতকাল দুপুরে জ্বর-সর্দি নিয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান।
চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুল হক জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে ডা. সাদেকুর রহমানকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে তার তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হলে আইসিইউর প্রয়োজন হয়। সেখানে আইসিইউ না পাওয়ায় তাকে মা ও শিশু হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইসিইউতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ভোরে তিনি মারা যান।
সিলেটে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে লিটন দাস লিকন নামে এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তিনি বালাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও স্থানীয় একটি অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরী (৬৫) জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
একই সমস্যা নিয়ে জেলার চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে গতকাল সকাল ১১টায় মারা গেছেন স্টিফেন গঞ্জালভেস (৪২) নামে এক পল্লি চিকিৎসক।
পঞ্চগড়ে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবার রাতে আব্দুস সামাদ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। রংপুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
বুকে ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল সকালে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পুলিশ সদস্য কামরুজ্জামানের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। তা র বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল সন্ধ্যায় জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এসআই আবুল হোসেনের (৭০) মৃত্যু হয়। তিনি নগরীর খালিশপুর হাউজিং এলাকার বাসিন্দা।
চাঁদপুর শহরের চিত্রলেখা এলাকার এক ব্যক্তি (৬৫) গতকাল ভোর ৫টায়, সদর উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের বৃদ্ধ (৭০) শনিবার রাত দেড়টায় ও বালিয়া ইউনিয়নের একজন (৪২) রাত ৯টায় নিজ বাড়িতে মারা যান। হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখালের একজন (৬৫) গতকাল সকালে, ধোয়াণ্ডা গ্রামের বৃদ্ধ (৮৯) শনিবার রাত ২টায় ও ধেররা চৌধুরী বাড়ির আরেক বৃদ্ধ (৭৫) রাত ৩টায় নিজ বাড়িতে মারা যান। করোনা পরীক্ষার জন্য তাদের প্রত্যেকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে গতকাল সকাল ৮টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী এলাকার এক নারী (৬৫) মারা যান। দুপুর ২টায় মারা যান আমানতগঞ্জ বেলতলা এলাকার এক ব্যক্তি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার মুশুরিয়া এলাকার এক ব্যক্তি (৭৫), বিকেল ৪টায় সদর উপজেলার বড়ইকান্দি এলাকার একজনের (৬০) মৃত্যু হয়।
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামে নিজ বাড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে শনিবার সকালে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাঁচ মাস আগে ওমান থেকে দেশে আসেন। একই দিন বিকেলে একই সমস্যা নিয়ে উপজেলার বেলাশ্বর গ্রামের এক গৃহবধূ মারা যান।
জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকা (৬৫) গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে মারা যান।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় জ্বর, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক ব্যক্তি (৭২) গতকাল ভোরে উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বিন্নাগাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাণ্ডারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এক পান ব্যবসায়ী (৫০) গতকাল দুপুরে জ্বর-সর্দি নিয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান।
- বিষয় :
- করোনা