ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা

শতভাগ পদ যুক্ত করে গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের

শতভাগ পদ যুক্ত করে গণবিজ্ঞপ্তির দাবি সুপারিশবঞ্চিতদের
×

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীর প্রতিনিধিদের সংবাদ সম্মেলন। ছবি-সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ | ২৩:২৭ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬ | ২৩:২৭

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক শতভাগ শূন্যপদ সংযুক্ত করে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সুপারিশবঞ্চিতরা। একই সঙ্গে তাদের পূর্ণ নিয়োগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নতুন শিক্ষক নিবন্ধনের সার্কুলার প্রকাশ না করারও দাবি জানানো হয়েছে।

রোববার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা এসব দাবি তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৫ সালের এনটিআরসিএ বিধিমালা অনুযায়ী শূন্যপদের বিপরীতে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ৬০ হাজার ৬৩৪ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। প্রতিযোগিতামূলক এ পরীক্ষায় তিনটি ধাপ অতিক্রম করার পরও বিষয়ভিত্তিক শতভাগ শূন্যপদ গণবিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত না করা এবং পূর্বে সুপারিশপ্রাপ্তদের পুনরায় আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থী একাধিকবার সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে তারা সামাজিক, পারিবারিক ও আর্থিকভাবে চরম সংকটে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক বঞ্চিত প্রার্থীদের অনুপাতে শতভাগ শূন্যপদ যুক্ত করে দ্রুত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে; যেসব বিষয়ে শূন্যপদের তুলনায় সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীর সংখ্যা বেশি, সেসব বিষয়ে তাদের পুনঃনিয়োগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষক নিবন্ধনের সার্কুলার প্রকাশ করা যাবে না; এবং সনদের মেয়াদ থাকাসাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সব সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়-২ ও প্রভাষক পদে শতভাগ নিয়োগের আওতায় আনতে হবে। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দাবি আদায়ে তারা এনটিআরসিএ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং দীর্ঘদিন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন। গত ১৯ থেকে ২১ এপ্রিল শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তাদের দাবি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়। গত ৮ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের নিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

তবে সম্প্রতি কলেজ পর্যায়ে তাদের জন্য মাত্র ৭৫ শতাংশ পদ সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশিত হওয়ায় প্রার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বিভিন্ন বিষয়ে বিপুলসংখ্যক যোগ্য প্রার্থী আবারও সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হবেন।

আরও পড়ুন

×