অ্যান্টিবডি না থাকলেও করোনা রোধ সম্ভব
×
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২০ | ১২:০০
সাধারণভাবে আমরা জানি যে, একবার করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলে আপনি সেরে উঠতে উঠতেই আপনার দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হযে যাবে এবং আপনি করোনাভাইরাস-প্রতিরোধী হয়ে যাবেন। কিন্তু নতুন এক জরিপে আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যাদের দেহে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি তাদের দেহেও এ ভাইরাস প্রতিরোধের কিছুটা ক্ষমতা থাকে।
সুইডেনের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের ওই জরিপটির গবেষকরা বলছেন, অ্যান্টিবডি না থাকলেও ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা আসে 'টি-সেল' নামে রক্তে থাকা আরেক ধরনের কোষ থেকে, যার কাজ কোনো দেহকোষে সংক্রমণ হলেই তাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করা। টি সেল কাজ করে একটু অন্যভাবে। তারা ইতোমধ্যেই সংক্রমিত হয়েছে এমন দেহকোষগুলো টার্গেট করে এবং সেগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলে। ফলে ভাইরাস সংক্রমণ থেকে অন্য সুস্থ কোষ আক্রান্ত হতে পারে না।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, টি-সেলের এক ধরনের 'স্মৃতিশক্তি আছে'। তারা ভাইরাসটাকে চিনতে পারলেই এটা কোন কোষগুলোকে সংক্রমিত করেছে তা টার্গেট করে সেগুলো ধ্বংস করতে থাকে।
জরিপটি চালানো হয় ২০০ লোকের ওপর। তাদের দেহে অ্যান্টিবডি এবং টি-সেল দুটোই আছে কিনা, সেটাই এ জরিপে পরীক্ষা করা হয়েছিল।
জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতি একজন অ্যান্টিবডি-বিশিষ্ট ব্যক্তির বিপরীতে দু?'জন করে লোক পাওয়া যাচ্ছে যাদের রক্তে এমন টি-সেল আছে, যা সংক্রমিত দেহকোষ চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করে ফেলতে পারে।
লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের অথ্যাপক ড্যানি অল্টম্যান বলছেন, 'এটা একটা চমৎকার জরিপ, যাতে আবারও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে মানুষের করোনাভাইরাস-প্রতিরোধ ক্ষমতার ব্যাপারটা শুধু অ্যান্টিবডি টেস্ট দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।'
গবেষকরা বলছেন, তারা যে ২০০ জন লোকের ওপর জরিপ চালিয়েছে তাতে কয়েকজন রক্তদাতা আছেন। আরও আছেন সুইডেনে প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন এমন কিছু লোক। তবে এই বিজ্ঞানীরা বলছেন, টি-সেল করোনাভাইরাসকে সম্পূর্ণ আটকে দিতে পারে কিনা এটা এখনও অজানা। অথবা এমনও হতে পারে যে, তারা হয়তো একজন লোককে করোনাভাইরাসে অসুস্থ হতে দেয় না; কিন্তু তিনি ভাইরাসটা বহন করতে পারেন এবং অন্যদের মধ্যে ছড়াতেও পারেন। এটা জানার জন্য আরও বিশ্নেষণ প্রয়োজন হবে।
সুইডেনের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের ওই জরিপটির গবেষকরা বলছেন, অ্যান্টিবডি না থাকলেও ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা আসে 'টি-সেল' নামে রক্তে থাকা আরেক ধরনের কোষ থেকে, যার কাজ কোনো দেহকোষে সংক্রমণ হলেই তাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করা। টি সেল কাজ করে একটু অন্যভাবে। তারা ইতোমধ্যেই সংক্রমিত হয়েছে এমন দেহকোষগুলো টার্গেট করে এবং সেগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলে। ফলে ভাইরাস সংক্রমণ থেকে অন্য সুস্থ কোষ আক্রান্ত হতে পারে না।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, টি-সেলের এক ধরনের 'স্মৃতিশক্তি আছে'। তারা ভাইরাসটাকে চিনতে পারলেই এটা কোন কোষগুলোকে সংক্রমিত করেছে তা টার্গেট করে সেগুলো ধ্বংস করতে থাকে।
জরিপটি চালানো হয় ২০০ লোকের ওপর। তাদের দেহে অ্যান্টিবডি এবং টি-সেল দুটোই আছে কিনা, সেটাই এ জরিপে পরীক্ষা করা হয়েছিল।
জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতি একজন অ্যান্টিবডি-বিশিষ্ট ব্যক্তির বিপরীতে দু?'জন করে লোক পাওয়া যাচ্ছে যাদের রক্তে এমন টি-সেল আছে, যা সংক্রমিত দেহকোষ চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করে ফেলতে পারে।
লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের অথ্যাপক ড্যানি অল্টম্যান বলছেন, 'এটা একটা চমৎকার জরিপ, যাতে আবারও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে যে মানুষের করোনাভাইরাস-প্রতিরোধ ক্ষমতার ব্যাপারটা শুধু অ্যান্টিবডি টেস্ট দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।'
গবেষকরা বলছেন, তারা যে ২০০ জন লোকের ওপর জরিপ চালিয়েছে তাতে কয়েকজন রক্তদাতা আছেন। আরও আছেন সুইডেনে প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন এমন কিছু লোক। তবে এই বিজ্ঞানীরা বলছেন, টি-সেল করোনাভাইরাসকে সম্পূর্ণ আটকে দিতে পারে কিনা এটা এখনও অজানা। অথবা এমনও হতে পারে যে, তারা হয়তো একজন লোককে করোনাভাইরাসে অসুস্থ হতে দেয় না; কিন্তু তিনি ভাইরাসটা বহন করতে পারেন এবং অন্যদের মধ্যে ছড়াতেও পারেন। এটা জানার জন্য আরও বিশ্নেষণ প্রয়োজন হবে।
- বিষয় :
- করোনা