ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সাবেক পুলিশ কমিশনার সাইফুল কারাগারে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

সাবেক পুলিশ কমিশনার সাইফুল কারাগারে
×

সিএমপির সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলাম

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ | ১৮:৪২ | আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ | ১৯:০৮

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ তিনজনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সাবেক কমিশনার সাইফুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যূনাল-১ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। 
এ দিন সাইফুলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। আদালতে তোলা হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় সিএমপির সাবেক কমিশনার সাইফুলকে এ দিন ট্রাইব্যুনালে হাজিরের দিন ধার্য ছিল। ১৫ অক্টোবর এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। 

প্রসিকিউশন জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর এলাকায় তিনজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের সিএমপি সাবেক কমিশনারের সরাসরি সম্পৃক্ততা মিলেছে। শহীদ ওয়াসিম ছাড়া অন্যরা হলেন–শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুক। 

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার মামলায় ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন সিএমপির এই সাবেক কমিশনার। গত বছর ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণ হারান কলেজছাত্র ওয়াসিম আকরাম। একই বছরের ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন তার মা জোছনা বেগম।

এডিশনাল ডিআইজি মশিউর গ্রেপ্তার: প্রসিকিউশন বিভাগ
আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুমের ঘটনায় অভিযুক্ত বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের সহযোগী সিআইডির এডিশনাল ডিআইজি মো. মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগ। 

মশিউরের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে গুমের মামলা রয়েছে। র্যা ব-১১ এ থাকাকালীন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকারঅিভিযোগ রয়েছে আলেপের বিরুদ্ধে। 

গত বছরের জুলাই আন্দোলন দমনেও মরিয়া ছিলেন তিনি। সরকার পতনের পর বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় গত বছরের ১২ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব -১১ এ থাকাকালীন আলেপের এসব কর্মকাণ্ডে অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন এডিশনাল ডিআইজি মশিউর।
 

আরও পড়ুন

×