ঢাকা-৪
এ কে স্কুল কেন্দ্রে নারীদের উপচে পড়া ভিড়, ভোটগ্রহণে ধীরগতি
রাজধানীর ধোলাইপাড়ের এ. কে. স্কুল (পুরাতন) কেন্দ্রে নারী ভোটারদের সারি। ছবি: সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩:৫৪
রাজধানীর ধোলাইপাড়ের এ. কে. স্কুল (পুরাতন) কেন্দ্রে সকাল থেকেই নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের অপেক্ষা করতে দেখা গেলেও, ভোটগ্রহণের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে। দুপুর গড়াতে না গড়াতেই নারী বুথগুলোতে দীর্ঘ সারি সিঁড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
ভোটের পরিসংখ্যান ও ধীরগতি
কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ১০৩ নম্বর নারী বুথে ২ হাজার ১৩৭টি ভোটের মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জমা পড়েছে মাত্র ৪০০ ভোট। অন্য একটি নারী বুথে ২ হাজার ১৭৫টি ভোটের বিপরীতে প্রায় ৫০০টি ভোট সংগৃহীত হয়েছে। নারী বুথগুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও পুরুষ বুথগুলোতে তেমন কোনো বড় সিরিয়াল দেখা যায়নি।
ভোটগ্রহণে এই দীর্ঘসূত্রতার কারণ হিসেবে প্রিসাইডিং অফিসার প্রবীর কুমার মজুমদার জানান, ব্যালট পেপার এবং ভোট দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। বেশিরভাগ ভোটার কোন প্রতীকে ভোট দেবেন এবং 'হ্যাঁ-না' ভোটের প্রক্রিয়া কী, তা বুঝতে পারছেন না। তাদের বিস্তারিত বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে। এছাড়া দুটি আলাদা ব্যালট ব্যবহারের কারণে প্রতিটি ভোট সম্পন্ন করতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।
ভোটারদের হয়রানি ও অব্যবস্থাপনা
একই এলাকায় এ. কে. স্কুলের পুরাতন ও নতুন দুটি ভবন মিলিয়ে পৃথক কেন্দ্র থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। এক কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে গিয়ে ভিড় করায় অনেককেই হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
এদিকে, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকরা বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রের দায়িত্বরত কিছু আনসার সদস্য সাংবাদিকদের বুথে প্রবেশে বাধা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই আসনের বিএনপি প্রার্থী তানভীর আহমেদ ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের গতি ধীর দেখা হচ্ছে, যা সাধারণ ভোটারদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
