ঈদের ছুটিতে টাকা-গহনা আত্মীয়র বাসায় নইলে থানায় রাখুন: ডিএমপি কমিশনার
রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। ছবি-সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ | ২৩:০১
ঈদুল ফিতরে ঢাকা ছাড়ার আগে নগদ অর্থ, সোনার গহনা বা গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি অরক্ষিত অবস্থায় না রেখে আত্মীয়স্বজনের বাসায় রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। তবে ঢাকায় কারও স্বজন না থাকলে মূল্যবান সম্পদ থানায় রেখে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।
রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকার পুলিশপ্রধান। তিনি বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি চার বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারি থাকবে। ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে। লক্কড়-ঝক্কড় বাস চলাচল বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ এবং যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ বিষয়ে গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদেরও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, ঈদের ছুটিতে রাজধানী অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় নগর নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় টহল এবং চেকপোস্ট বাড়ানো হবে। রাতে ৭০টির বেশি চেকপোস্ট বসানো রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ফুট প্যাট্রোল চলছে। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে।
এ সময় নগরবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, নগদ অর্থ, সোনার গহনা বা গুরুত্বপূর্ণ দলিল অরক্ষিত অবস্থায় রাখবেন না। এগুলো আপনার আত্মীয়স্বজনের বাসায় রেখে যাবেন।
ঢাকায় যাদের স্বজন নেই তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজনে আমাদের পুলিশের সাহায্য নেবে, অসুবিধা কী? এ ক্ষেত্রে থানায় রাখতে পারে।
মো. সরওয়ার বলেন, ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার আগে ঢাকার বাসার দরজা-জানালা ঠিকভাবে বন্ধ করা, ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। এ ছাড়া বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পুরোনো ক্যামেরা সচল রাখা এবং রাতে বাসার আশপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার কথাও বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোয় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও পকেটমারদের তৎপরতা ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি চলছে।
- বিষয় :
- ডিএমপি কমিশনার
