বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০৬:১০
জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও কৌশলসমূহের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সিভিল সোসাইটি এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়। বেসরকারি সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত সেমিনারে সংস্থাটির ন্যাশনাল ডিরেক্টর গ্লোরিয়াস গ্রেগরী দাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা (পরিকল্পনা) জান্নাতুল ফেরদৌস, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সিনিয়র সহকারী সচিব সিরাজুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ের কারণে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ও নানা ধরনের বিপর্যয় দেখা যায়। ছেলে-মেয়েদের মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাল্যবিয়ে নানা ধরনের ঝুুঁকি তৈরি করে। বিশেষ করে বাল্যবিয়ের ফলে কিশোরী মেয়েরা পুষ্টিহীনতার শিকার হয়। ওই কিশোরী গর্ভধারণ করলে দুর্বল পুষ্টিহীন শিশু জন্ম হয়। এতে অনেক সময় মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে। বাল্যবিয়ে বন্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বাল্যবিয়ে নিরোধকল্পে সরকার ২০১৮-৩০ মেয়াদে একটি জাতীয় পরিকল্পনা করেছে, এই পরিকল্পনায় বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল দেশে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশুর সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছর সমমনা ব্যক্তি ও সংগঠন এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দেয়। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি ইতোমধ্যে ‘কোলাবোরেটিভ অ্যাকশন এগেইনেস্ট চাইল্ড প্রটেকশন’ নামে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে বন্ধে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্যকর ও ফলপ্রসূ কৌশলগত জোট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর সুরক্ষা প্রদান ও শিশু কিশোরদের উপযুক্ত শিক্ষায় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সংস্থাটি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
- বিষয় :
- বাল্যবিয়ে
