নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীদের
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬ | ০৭:২৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
সরকারি কর্মচারীদের জন্য গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল এক ধাপে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, জাতীয় বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না রাখা হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
গতকাল শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া।
সেলিম মিয়া বলেন, অষ্টম পে স্কেল কার্যকরের পর ১১ বছর পার হলেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে সরকারি কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অনুযায়ী চলতি বছরের মধ্যেই নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে তা এক ধাপে কার্যকরের দাবি জানান তিনি।
ফেডারেশনের চেয়ারম্যান আরও বলেন, নির্বাচনের আগে তারেক রহমান (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) আশ্বাস দিয়েছিলেন রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দ্রুত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু সরকার দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাস পরও এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার খবর কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।
সেলিম মিয়া বলেন, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন পে স্কেল প্রণয়নের প্রচলিত ধারা থাকলেও গত ১১ বছরে সরকারি কর্মচারীরা দুটি পে স্কেল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ অবস্থায় আবারও ধাপে ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাই জুনের মধ্যেই নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ, জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এর কার্যকারিতা নির্ধারণ এবং বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, প্রথম গ্রেড ও ২০তম গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান বেতন বৈষম্য কমাতে গ্রেড সংখ্যা হ্রাস করতে হবে। একই সঙ্গে অষ্টম পে স্কেলে বাতিল হওয়া টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং চাকরিকালজুড়ে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট চালু রাখতে হবে।
- বিষয় :
- নবম গ্রেড
