ঢাকা সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

মাগুরায় শিশু ধর্ষণের পর হত্যা: মামলার পেপারবুক প্রস্তুত, শিগগিরই আপিল শুনানি

মাগুরায় শিশু ধর্ষণের পর হত্যা: মামলার পেপারবুক প্রস্তুত, শিগগিরই আপিল শুনানি
×

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ১৯:২১

মাগুরার শ্রীপুরের জারিয়া গ্রামে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত করা পেপারবুক (মামলার নথি) বিজিপ্রেস থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে নথিপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। শিগগিরই শুনানি হবে।

সোমবার হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গত বছরের ১৭ মে মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন ও আসামির আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক ইতোমধ্যে হাইকোর্টের রেফারেন্স শাখায় এসেছে। এখন এটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুকটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। এরপর তিনি মামলাটির শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেওয়ার পর শুনানি শুরু হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেবেন। বিশেষ বেঞ্চেই শিশু হত্যা ও ধর্ষণ মামলার শুনানি হবে।

মাগুরার চাঞ্চল্যকর ওই শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গত বছরের ১৭ মে রায় দেন মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। পরে আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ যাবতীয় নথি ২০২৫ সালের ২১ মে হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছায়, যা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নম্বরভুক্ত হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে সেই দণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এ প্রক্রিয়াকে ‘ডেথ রেফারেন্স’ বলা হয়। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা খালাস চেয়ে জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল দায়ের করার সুযোগ পান।

মাগুরার শিশু হত্যা মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পথ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। 

আরও পড়ুন

×