ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বিজিবি-বিএসএফের সীমান্ত সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

বিজিবি-বিএসএফের সীমান্ত সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত
×

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬ | ১৫:০৭

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিএসএফ সদর দপ্তরে ৮ থেকে ১১ জুন অনুষ্ঠিত ৫৭তম মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলনে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় দুই দেশ। সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফের মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

চার দিনব্যাপী সম্মেলনে মাদক, অস্ত্র, জাল মুদ্রা, স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাচালান, মানবপাচার এবং অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি সীমান্তে প্রাণহানি, অনিচ্ছাকৃত ও জোরপূর্বক সীমান্ত অতিক্রম, সীমান্ত অবকাঠামো নির্মাণ, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) বাস্তবায়ন এবং উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

উভয় পক্ষ সীমান্তে সমন্বিত টহল জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি, তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময় এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে সম্মত হয়। সীমান্তবর্তী জনগণকে আন্তর্জাতিক সীমারেখার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এবং সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিজিবি ও বিএসএফ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, বিদ্রোহী তৎপরতা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে-এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

১১ জুন যৌথ আলোচনার কার্যবিবরণীতে (জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশনস) স্বাক্ষরের মাধ্যমে সম্মেলন শেষ হয়। উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, গৃহীত সিদ্ধান্ত ও সমঝোতাগুলো দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করবে। পরবর্তী ডিজি পর্যায়ের সম্মেলন আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
 

আরও পড়ুন

×