ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

আদালতে বিচারাধীন মামলা ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার: আইনমন্ত্রী

আদালতে বিচারাধীন মামলা ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার: আইনমন্ত্রী
×

সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬ | ১৯:০৭

আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪৭৬। এর মধ্যে দেওয়ানি মামলা ১৮ লাখ ১৩ হাজার ২৬৩। ২৮ লাখ ২৬ হাজার ২১৩ ফৌজদারি মামলা। এক বছরে উচ্চ আদালতে ৬৩ হাজার ৩০৯ এবং অধস্তন আদালতে দুই লাখ ৭৫ হাজার ৮৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার সংসদে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গোলাম রছুলের প্রশ্নে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ২১ হাজার ৬৫২টি দেওয়ানি ও ১৭ হাজার ৬১টি ফৌজদারি মামলাসহ মোট ৩৮ হাজার ৭১৩টি মামলা বিচারাধীন ছিল। হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৫ লাখ ২২ হাজার ৩৩১। ২০২৫ সালে আপিল বিভাগে ৭ হাজার ৫৫৩ এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫৫ হাজার ৭৫৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। 

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নে আসাদুজ্জামান বলেন, অধস্তন আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৪৪৩টি। এ মামলার মধ্যে ৫ বছরের অধিক পুরনো মামলার সংখ্যা তিন লাখ ৭৭ হাজার ৪১৪টি। 

ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ২০ জেলায় বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু থাকায় নিয়মিত মামলা দায়েরের হার ৬২ শতাংশ কমেছে। এই উদ্যোগ সফল হওয়ায় বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার আইনি বাধ্যবাধকতা পর্যায়ক্রমে ঢাকাসহ সব জেলায় কার্যকর হবে।

সংরক্ষিত আসনের মাহফুজা হান্নানের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে ৫ জন, হাইকোর্ট বিভাগে ১০১ জন বিচারপতি কর্মরত রয়েছেন। অধস্তন আদালতে দুই হাজার ৬২০ জন বিচারকের পদের বিপরীতে এক হাজার ৯৬৪ জন কর্মরত আছেন।

নরসিংদী-১ আসনের খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫৩টি ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি অতি উচ্চ, ৪০টি উচ্চ ও ৬৬টি মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে। 

মন্ত্রী জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার বিকল্প উৎসের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ চলমান রাখা, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

×