মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার
কর্মী নিয়োগে অখ্যাত এজেন্সি, ফের সিন্ডিকেটের আশঙ্কা
রাজীব আহাম্মদ
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:৫৯ | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:৪৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে মালয়েশিয়া যে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কাজ দিয়েছে, তার অধিকাংশই অখ্যাত। কীসের ভিত্তিতে তাদের বাছাই করা হয়েছে, তা জানায়নি দেশটি। এর আগেও দুবার সীমিত সংখ্যক এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর কাজ দিয়েছিল মালয়েশিয়া, যা পরবর্তী সময় সিন্ডিকেট নামে পরিচিতি পায়। এক পর্যায়ে কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এখন নতুন করে সেই পুরোনো পদ্ধতি অনুসরণ করায় আবার সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
২০২২ সালে তৎকালীন মন্ত্রী-এমপি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের এজেন্সি কর্মী পাঠানোর কাজ পেয়েছিল। এবারের তালিকায় সরাসরি এমপি বা বিএনপির কোনো নেতার এজেন্সি নেই। তবে পাঁচ এমপি এবং এক নেতার অনুগতদের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জনশক্তি ব্যবসায়ীদের একটি অংশের ভাষ্য, কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আসলে ওই নেতাদের ‘ডামি’।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুবদলের সহসভাপতি আতিকুর রহমান বিশ্বাসের মালিকানাধীন এজেন্সি আল-আকাবার নাম নতুন তালিকায় নেই, কিন্তু তাঁর স্ত্রী সাবিহা সুলতানার মালিকানাধীন ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ারের নাম রয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানেরই ঠিকানা ফকিরাপুলের ইনার সার্কুলার রোডের শতাব্দী সেন্টার।
২০২২ সালে কুয়ালালামপুর ও ঢাকার যে ব্যক্তিরা ‘সিন্ডিকেটের’ নিয়ন্ত্রক ছিলেন, তারা এবারও শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে দাবি জনশক্তি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামের। তিনি বলেন, গত বছরের ১৯ মে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সিন্ডিকেটবিরোধী সংবাদ সম্মেলনে হামলা করা তিন ব্যক্তির মালিকানাধীন এজেন্সি এবার কাজ পেয়েছে। তারা ওই হামলা মামলার আসামি।
আগের পদ্ধতিতেই কর্মী যাবে, তাতেই শঙ্কা
জনশক্তি ব্যবসায়ী এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রকদের সূত্র সমকালকে জানিয়েছে, ২৫ এজেন্সি পাঁচ কোটি টাকা করে চাঁদা দিয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছে। আরও ১২ কোটি করে দেবে। তবে এই টাকা কর্মী পাঠানোর সময় কর্তন করা হবে। ২০২২ সালে কর্মী পাঠানোর অনুমতি পেতে প্রতিজনের জন্য এক লাখ সাত হাজার টাকা করে দিতে হয়েছিল।
জানতে চাইলে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গতকাল সমকালকে বলেন, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ২৫ এজেন্সি বাছাইয়ের বিষয়ে জানতে চেয়ে আজ (গতকাল শনিবার) চিঠি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস) থেকে এজেন্সির তালিকাটি দেওয়া। প্ল্যাটফর্মটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে। দুই দেশের সরকার যখন বিষয়টি আলোচনা করছে, তখন বেসরকারি তথ্য গ্রহণ করা যাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এফডব্লিউসিএমএস আসলে মালয়েশিয়া সরকারের অনুমোদিত প্ল্যাটফর্ম, যেটি পরিচালনা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বেস্টিনেট। এর প্রধান নির্বাহী দাতো আমিনুল ইসলাম বিন আবদুর নূর বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ার নাগরিক। আমিন নূর নামে পরিচিত এই বিতর্কিত ব্যবসায়ীসহ প্রতিষ্ঠানটির আট কর্মকর্তা ২০২২ সালের আগস্টে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
মালয়েশিয়ার বতর্মান উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি যখনই ক্ষমতায় ছিলেন, তখনই বেস্টিনেট কাজ পেয়েছে। যদিও তিনি বরাবরই বেস্টিনেটের সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তিনি উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ফেরার পর আমিন নূর আদালতের মাধ্যমে মুক্তিও পেয়েছেন।
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিবন্ধনের মাইগ্রামের ব্যবস্থাপনায়ও ছিল বেস্টিনেট। ২০২৪ সালে সমকালের অনসুন্ধান অনুযায়ী, এটিই ছিল টাকা আদায়ের ফাঁদ। এতে কর্মীপ্রতি ১০০ রিঙ্গিত দিয়ে নিবন্ধন করতে হতো। বাংলাদেশ অংশে এর নিয়ন্ত্রণ করতেন ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মালিক রুহুল আমিন স্বপন। বায়রার সাবেক এই মহাসচিব ৫ আগস্টের পর থেকে বিদেশ রয়েছেন। আগেরবার মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির মামলায় তাঁর প্রতিষ্ঠানসহ ৪৯ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে বর্তমান সরকার।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে ২০২১ সালে দুই দেশের সমঝোতা স্মারক সই হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ দেড় হাজার এজেন্সির একটি তালিকা পাঠায়। যেখান থেকে ২৫টি এজেন্সি বাছাই করে মালয়েশিয়া। কর্মীপ্রতি ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ হাজার টাকা। কিন্তু সিন্ডিকেটের চাঁদা, ভিসা কেনাসহ কর্মীদের গড়ে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছিল বলে মালয়েশিয়ার শ্রম সংগঠনের জরিপে তথ্য আসে। ২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত বিপুল ব্যয়ে চার লাখ ৭৬ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় গিয়ে অনেকে প্রতিশ্রুত চাকরি পাননি। এসব অনিয়মের পর ২০২৪ সালের ৩১ মে শ্রমবাজার বন্ধ করে মালয়েশিয়া সরকার, যা এখনও বন্ধ। প্রায় ১৭ হাজার কর্মী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও সেবার মালয়েশিয়া যেতে পারেননি।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সমকালকে বলেন, সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ রয়েছে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত। ততদিন বিদ্যমান নিয়মে কর্মী পাঠাতে হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ সবার জন্যই খুলছে। বাংলাদেশ কর্মী না পাঠালে বাজার হাতছাড়া হতে পারে। ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ দেশের স্বার্থ রক্ষা করে নতুন চুক্তি করবে।
নেপাল সিন্ডিকেটে নারাজ
এফডব্লিওসিএমএস নেপালের ২৫, ভারতের ১০, পাকিস্তানের ১০ এজেন্সিসহ কর্মী প্রেরণকারী ১০ দেশের জন্য এজেন্সি নির্ধারণ করেছে। নেপাল এতে রাজি হয়নি। তারা ২৫ এজেন্সি বাছাইকে সিন্ডিকেট আখ্যা দিয়েছে। আগের মতোই সব এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশটি। গতকাল শনিবার নেপালের শ্রমমন্ত্রী দেশটিতে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এই অবস্থান জানিয়েছেন।
২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশকে চিঠি দিয়ে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্তের ভিত্তিতে কর্মী পাঠাতে সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা চায় মালয়েশিয়া। পরে মালয়েশিয়াকে অন্তত তিনটি শর্ত শিথিল করার অনুরোধ জানানো হয়। শর্তগুলো হলো পাঁচ বছরে কমপক্ষে তিন হাজার কর্মী প্রবাসে পাঠানোর অভিজ্ঞতা, নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও তিন বছর ধরে কমপক্ষে ১০ হাজার বর্গফুটের একটি স্থায়ী অফিস স্পেস থাকা। সাতটি পূরণকারী ২৬০টি এবং ছয়টি পূরণকারী ১৬৩টিসহ ৪২৩ এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সমকালকে বলেন, এই তালিকা থেকে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সি বাদ যাবে। আগেরবার সিন্ডিকেট করায় তাদের লাইসেন্স প্রত্যাহার হয়েছিল। বাকি ৩৭৪টির মধ্যে ২৫টিকে তালিকায় রেখেছে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশ চায় বাকি ৩৪৯টিকেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
তবে আগের সমঝোতা স্মারক বহাল থাকায় পুরোনো পদ্ধতিতেই কর্মী যেতে পারে। এই পদ্ধতিতে কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মাইগ্রাম নামে একটি অ্যাপে ১০০ রিঙ্গিত নেওয়া হতো রিক্রুটিং এজেন্সির ‘টপ আপ ই-ওয়ালেট’ থেকে। কর্মীপ্রতি এক লাখ ৫২ হাজার টাকা চাঁদা না দিলে ই-ওয়ালেটে ব্যালেন্স দেওয়া হতো না। মাইগ্রামের মাধ্যমে জিম্মি করার বিষয়টি বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়া সরকারকে জানিয়েও ফল হয়নি।
বায়রার সাবেক সহসভাপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুরোনো পদ্ধতি পুনর্বহাল ছাড়া কিছুই করা হয়নি। আগের সিন্ডিকেটে থাকা ২৫ এজেন্সিকে বাদ দিয়ে নতুন লোকজনকে ঢুকানো হয়েছে। যাদের নেওয়া হয়েছে তাদের তো বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা চেনেন না, মালয়েশিয়ার সরকার কীভাবে চিনল? কর্মীরা কীভাবে চিনবে?
কাজ পাওয়া এজেন্সি কারা
নতুন তালিকাভুক্ত ২৫ এজেন্সির সবাইকে সমকাল থেকে ফোন করা হয়েছে। তালিকায় থাকা গুডনেস সার্ভিসের অফিস থেকে সমকালকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় রয়েছেন।
ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ারের ব্যবস্থাপনা অংশীদার সাবিহা সুলতানার কাছে সমকালের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, মালয়েশিয়ার যেসব শর্ত ছিল সেগুলো তাঁর প্রতিষ্ঠান পূরণ করেছে কিনা এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান কীভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর স্বামী আতিকুর রহমান বিশ্বাস বিস্তারিত বলতে পারবেন।
জনশক্তি ব্যবসায়ীদের সূত্র সমকালকে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে কর্মকর্তার আত্মীয়র এজেন্সি আত-তাকওয়া কাজ পেয়েছে। আগেরবার ২৫ এজেন্সির সিন্ডিকেটে থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হাইয়ের প্রতিষ্ঠান এবার তালিকায় না থাকলেও রয়েছে তাঁর স্ত্রী লায়লা আরজুমান বানুর প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গালফ সার্ভিস।
আগেরবারের ২৫ এজেন্সির সিন্ডিকেটে থাকা গোল্ডেন অ্যারোর মালিকের আরেক প্রতিষ্ঠান এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল এবারের তালিকায় রয়েছে। সিন্ডিকেট বিরোধীদের ওপর হামলা মামলার আসামি মনির আহমেদের মাদারল্যান্ড ওভারসিজ, মোহাম্মদ শাহজালালের চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং মাহফুজুর রহমানের আর্থ স্মার্ট বাংলাদেশ লিডিটেডও রয়েছে। ফেসবুকে পোস্ট করা ছবি অনুযায়ী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন মোহাম্মদ শাহজালাল।
গত ৯ জুলাই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়েছিল, গত ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুয়ালালামপুর সফরের সময়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন আমিনুল ইসলাম বিন আবদুর নূর। তবে সেদিন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন সমকালকে বলেছিলেন, এটি মিথ্যা প্রচারণা। নির্ধারিত সফরসূচির বাইরে কেউ প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাননি।
যদিও ব্লুমবার্গ গতকাল শনিবার পর্যন্ত প্রতিবেদনটি সরায়নি। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত শুক্রবার রাতে তালিকা ঘোষণার খবর এবং পরবর্তী করণীয় জানাতে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে আলোচনা হয়েছিল দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতি ঠিক হবে। যদিও এখনও হয়নি। গত মাসে মন্ত্রী এবং উপদেষ্টার সফরে জানানো হয়, আগস্টের শেষ সপ্তাহে শ্রমবাজার খুলবে। এর মধ্যে মন্ত্রী শনিবার সমকালকে জানান, নতুন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো নিয়মে কর্মী যাবে।
২০১৫ সালে মালয়েশিয়ার বাছাই করা ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠানোর কাজ পেয়েছিল। তারাও সিন্ডিকেট নামে পরিচিতি চায়। সেবার কর্মীপ্রতি ৩৭ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হলেও তিন লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। ২০১৮ সালে ক্ষমতায় ফিরে মাহাথির মোহাম্মদের সরকার এই চুক্তি বাতিল করে নিয়োগ বন্ধ করে দেয়।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরাবরই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। অভিবাসন ব্যয়ের আড়ালে বিপুল পরিমাণ টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে যায়। জনশক্তি ব্যবসায়ীরা নতুন তালিকাকেও সিন্ডিকেট বলছে। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অবশ্য সমকালকে বলেছেন, ৩৭৪ এজেন্সির সবাই যেন কাজ পায়, সরকারের পক্ষ থেকে সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
- বিষয় :
- মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার