ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৫০টি গ্যাসকূপ খনন, ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন

১৫০টি গ্যাসকূপ খনন, ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন
×

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। ছবি : পিএমও

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:৪৫

দেশে আরও ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ৩টি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। জ্বালানি খাতে সরকারের নানা উদ্যোগের বিষয়ে মাহদী আমিন বলেন, গ্যাস–সংকটের স্থায়ী সমাধানে মধ্য মেয়াদে দেশজুড়ে ১৫০টি নতুন কূপ খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরবর্তী ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খননের কার্যক্রম শুরু হবে। এলএনজির সক্ষমতা বাড়াতে বিদ্যমান দুটি টার্মিনালের সঙ্গে আরও তিনটি টার্মিনাল যোগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে ২০২৮ সালের আগেই তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা ও সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এর জন্য এক বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক অর্থায়ন পাওয়া গেছে এবং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মাহদী আমিন। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্প্রতি দেশের প্রধান ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়ের কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, গ্যাস সরবরাহের সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি দ্রুততম সময়ে বাস্তবতার নিরিখে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর গ্যাসের প্রবাহ অনেকটাই বেড়েছে। গ্যাসের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায়, বিশেষ করে আশপাশের যেকোনো দেশের তুলনায় ডিজেলের দাম বাংলাদেশে অপেক্ষাকৃত কম বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এই খাতে সর্বোচ্চ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে, যাতে জনগণের ওপর চাপ না পড়ে।

ফ্যাসিবাদী সংগঠনের নেতাদের বিচার তরান্বিত

মাহদী আমিন বলেন, গত এক মাসে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, জনকূটনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও অসাধারণ অগ্রগতি দেখেছি। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের প্রতি সুবিচার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় ফ্যাসিবাদী সংগঠনের গণহত্যাকারীদের সাত জনের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে গত মঙ্গলবার রায় দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজনের সমস্ত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে এ বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বৃত্তি করে প্রাপ্ত অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোন বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবার এবং আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করার আদেশ দিয়েছে আদালত। 

মুডিস রেটিং এ ‘সুখবর’

বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস ‘নেতিবাচক’ থেকে আবার ‘স্থিতিশীল’ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা মুডিস রেটিংস। এ ঘটনাকে ‘সুখবর’ উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা মুডিসের রেটিংয়ে বাংলাদেশ একটা লম্বা সময় পর নেতিবাচক থেকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফেরত এসেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য সারা বিশ্বে একটা স্থিতিশীল রাষ্ট্র। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মর্যাদা বাড়বে। এছাড়া ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট অর্থাৎ নারী-যুবকদের ক্ষমতায়নের জন্য যে কর্মসংস্থান প্রয়োজন, সেটিও একটি ইতিবাচক ধারায় সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে কিংবা গত মাসে এই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে মূল্যস্ফীতি ইতিবাচক দিকে যাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে মূল্যস্ফীতির হার কমে এসেছে। খাদ্যপণ্য ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির যে হার, সেটা কমে এসেছে।

সাত ভাগে জনকল্যাণ উদ্যোগ

সাত ভাগে বিভক্ত করে সরকার জনকল্যাণ ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এগুলো হচ্ছে তারুণ্যের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবন, গণমানুষের সার্বিক কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়ন, নারীর অগ্রযাত্রা, সর্বজনীন কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও জলবায়ু সহনশীল শিল্পায়ন, আধুনিক স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও জনস্বাস্থ্য, যোগাযোগ অবকাঠামো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, জনকূটনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্ক।

বর্তমান সরকার প্রথাগত শাসনপদ্ধতির বেড়াজাল ভেঙে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে চায় দাবি করে মাহদী আমিন বলেন, আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে দায়বদ্ধতা ও পরিকল্পনার পরিচয় দিয়ে চলেছেন, তা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হচ্ছে। তরুণ সমাজের ক্ষমতায়ন থেকে শুরু করে কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, যুগোপযোগী যোগাযোগব্যবস্থা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার যে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে, তা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণের একটি শক্তিশালী ও কার্যকর পদযাত্রা।

প্রবাসী আয় বাড়ছে

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও বিশ্ববাজারের তীব্র চাপের মধ্যেও সরকারের সফল মুদ্রানীতিতে ৬ মাসে দেশে প্রবাসী আয় ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষ করে প্রতিবছর ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর বৈধ উপায়ে ইতালিতে অভিবাসনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হচ্ছে। ওমানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশ কর্মীদের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কৃষি ও আধুনিক মৎস্য আহরণ খাতে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাহিদার চেয়ে ১৫ লাখ ৬৮ হাজার মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত রেখে সারের সরবরাহ ও কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা মাহদী আমিন।

১৬ বছরের ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুনভাবে পুনর্গঠন শুরু

১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে বাংলাদেশকে সরকার নতুনভাবে পুনর্গঠন করছে বলে মন্তব্য করে মাহদী আমিন বলেন, মাত্র সাত মাসে সব সমস্যার শতভাগ সমাধান করে ফেলা দুরূহ। তবে সরকারের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা দৃশ্যমান। বর্তমান সরকার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও জবাবদিহির মাধ্যমেই জনগণের প্রকৃত কল্যাণ সাধনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈদেশিক ঋণের চাপ সফলভাবে মোকাবিলা করা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক বিভিন্ন ধরনের অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার, দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বৈপ্লবিক উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে। এ ছাড়া প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারের দেশপ্রেম ও জনকল্যাণমুখী মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। এই সাফল্যগুলো আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল, স্বাবলম্বী ও মেধাভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের রূপান্তরের যে সুদৃঢ় পথযাত্রা, সেটি আরও বিকশিত করবে। দল, মত, পথ ও ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, মানবিক, নিরাপদ ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সরকারের মূল লক্ষ্য সবার আগে বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ

মাহদী আমিন বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্য অবকাঠামো এবং জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বাকি আটটি বিভাগীয় শহরে ১৫ তলা বিশিষ্ট সর্বাধুনিক বিশেষায়িত পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা, বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিতে নবনির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল আধুনিক আন্তর্জাতিক কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা মডেলে পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তৃণমূলের কিডনি রোগীদের জীবন বাঁচাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সুলভে আধুনিক ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বগুড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যাকে ১৮‘শতে উন্নীতকরণের বিশাল উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোগীদের উন্নত চিকিৎসায় রংপুর মেডিকেল কলেজ চত্বরে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি সেন্টারের নির্মাণের ভিত্তি স্থাপন, দেশজুড়ে স্বাস্থ্য সেবা ও রোগীদের তথ্য একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করতে ন্যাশনাল ই হেলথ প্লাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কমিউনিটি ক্লিনিকে জরুরি ওষুধ ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ পুনর্বহাল, সংক্রামক ব্যাধি নির্মূলে বিগত পাঁচ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সারাদেশে মোট ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার শিশুকে সফলভাবে হাম রুবেলের টিকা প্রদান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ভ্যাকসিন তৈরির কারখানা স্থাপনের জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম শুরু, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় তীব্র সংকট নিরসনে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বে বিশুদ্ধ সুপ্রিয় পানি সরবরাহ প্রকল্প গ্রহণ, ডেঙ্গুর প্রকোপ রুখতে হাসপাতালে বিশেষ ওয়ার্ডে প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সমন্বিত তিন মাসের দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু, জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর নীতিমালার ফলে বিগত ছয় মাসে সরকারের গুদামে অতিরিক্ত দেড় লক্ষে খাদ্যশস্য মজুদ বৃদ্ধির কথা বলেন মাহদী আমিন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ২১২ দিন চলছে। সরকারের অনেক কাজের ইতিবাচক ফল এরই মধ্যে জনগণ পেয়েছে। কিছু কাজের ফল পেতে সময় লাগবে। ধৈর্য ধরলে ভালো ফল পাবে দেশের জনগণ। তিনি আরও বলেন, গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। জনজীবনে স্বস্তি, শাস্তি, নিরাপত্তা বিধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। জনগণ যে রাষ্ট্রের মালিক, তা জনগণ অনুভব করতে শুরু করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পিচ রাইটার এএসএম মাহফুজুর রহমান, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাউদ্দৌলা, সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির, আশরোফা ইমদাদ, মিডিয়া সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম, চিকিৎসক আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×